পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কিভাবে কাজ করে।How DOES A NUCLEAR POWER PLANT WORK #POWER PLANT

Kamal1,534 words

Full Transcript

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কিভাবে কাজ করে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরের করে ফিশান বা বিভাজন বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন তাপ কুলেন্ট এর মাধ্যমে হিট এক্সচেঞ্জারে জলকে বাষ্পে পরিণত করে এবং টারবাইন কে ঘোরায় টারবাইনের মেকানিক্যাল এনার্জি অল্টারনেটরের মাধ্যমে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জিতে পরিণত হয় এরপর স্টেপ অফ ট্রান্সফর্মারের মাধ্যমে ভোল্টেজ বাড়িয়ে ট্রান্সমিশন লাইনে পাঠানো হয় টারবাইনে এক্সস্টেড স্টিম আবার কন্ডেন্সারের মাধ্যমে জলে পরিণত করে পাম্পের মাধ্যমে চাপ বাড়িয়ে হিট এক্সচেঞ্জারে পাঠানো হয় এইভাবে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কাজ করে ফিশান বা বিভাজন বিক্রিয়া কি কোন ভারী বৌলের নিউক্লিয়াসে অর্থাৎ ভিতরে যদি একটা ধীরগতিসম্পন্ন নিউট্রন কণা দ্বারা আঘাত করা হয় এর ফলে কতগুলি ঘটনা ঘটে প্রথমে একটা অস্থায়ী মৌল হয় এক্ষেত্রে ইউরেনিয়াম 236 এটা সমান দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যায় এবং আলাদা দুটি মৌল তৈরি করে তিনটি উচ্চগতিসম্পন্ন নিউটন কণা সৃষ্টি হয় মাস ডিফেক্ট বা ভর ত্রুটির জন্য বিপুল পরিমাণে শক্তি নির্গত হয় মাস ডিফেক্ট বা ভর ত্রুটি ব্যাপারটা কি ধরুন আপনি বাজার থেকে 1 kg মাছ কিনে এনেছেন বাড়ি এসে মেপে দেখলেন 990 গ্রাম অর্থাৎ প্রথমে একবার মাপা দ্বিতীয় একবার মাপলেন এর ভেতরের ডিফারেন্স বা পার্থক্য হলো 10 g মাছ ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে কম দিয়ে যাচ্ছে একদিন উপভোক্তা অফিসারেরা রেট করল এবং তাকে 10000 টাকা ফাইন করল এক্ষেত্রে মাত্র 10 গ্রামের জন্য 10000 টাকা দিতে হলো আর পরমাণুর ক্ষেত্রে ফাঁকি দেওয়ার কোন উপায় নেই প্রতিটি বিক্রিয়ার জন্য ফাইন হিসেবে টাকা নয় 200 মেগা ইলেকট্রন ভোল্ট শক্তি দিতে হয় যা আইনস্টাইনের সমীকরণ ই সমান এম সি স্কয়ার থেকে পাওয়া যায় যেখানে হলো শক্তি এম হলো ভর সি হলো আলোর গতিবেগ এক কেজি ইউরেনিয়ামে কোটি কোটি পরমাণু বর্তমান তাহলে ভাবুন কত শক্তি উৎপন্ন হবে এবং তা উচ্চমানের কয়লা অর্থাৎ অ্যান্থ্রোসাইট বা বিটুমিনাস 4500 টন অর্থাৎ 45 লক্ষ কেজি কয়লা পোড়ানোর শক্তি সমান যে জায়গাতে বিভাজন বিক্রিয়া ঘটানো হয় তাকে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর বলে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর কে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের হার্ট বলা হয় ইউরেনিয়াম 235 এর বিভাজনের ফলে রিয়াক্টরে শক্তি হিসেবে তাপ উৎপন্ন হয় মনে রাখবেন এখানে ইউরেনিয়াম 235 কে পোড়ানো হয় না বিভাজন করা হয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদ্ধতির মাধ্যমে প্রাপ্ত ইউরেনিয়াম কে বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে একে রিয়াক্টরে প্রবেশ করানো হয় প্রথমে ছোট ছোট সিলিন্ড্রিক্যাল বা নলাকার গঠন তৈরি করা হয় যার ব্যাস প্রায় দুই সেন্টিমিটার উচ্চতা প্রায় 25 সেন্টিমিটার একে প্যালেট বলে অনেক প্যালেট কে পরপর জুড়ে অর্থাৎ সিরিজে রেখে রড বা লাঠির ভিতরে রাখা হয় এটা সাধারণত স্টেনলেস স্টিলের তৈরি করা হয় এর উপরে জিরকোনিয়ামের প্রোলেপ দেওয়া থাকে তার কারণ নিউক্লিয়ার জ্বালানি যখন এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় তার ফলে ঘষা লেগে ক্ষয় হতে পারে জিরকোনিয়ামের প্রোলেপ দিলে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় অনেকগুলি রড একসাথে রেখে প্রেসার টিউব বা বান্ডেল গঠন করা হয় অনেক প্রেসার টিউবকে ক্যালেন্ডিয়ার ভিতরে রাখা হয় এর বাইরের দিকে 20 থেকে 30 সেন্টিমিটারের স্টিলের রিয়াক্টর ভেসেল থাকে সবথেকে বাইরের দিকে পাঁচ থেকে সাত ফুট কংক্রিট আয়রনের কাঠামো থাকে কোনরকম দুর্ঘটনা ঘটলে যাতে এর ভিতরেই সেই দুর্ঘটনা ঘটে সেই জন্য এটাকে এতটা পুরো করা হয় এর বাইরে লেডের আস্ত্রণ দেওয়া থাকে কারণ তেজস্ক্রিয় বিভিন্ন রকম তেজস্ক্রিয় রশ্মি যেমন আলফা বিটা গামা আটকাতে সাহায্য করে অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্যই এতসব ব্যবস্থা নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর ও এটম বোমার ভিতরে পার্থক্য কোথায় জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে লিটিল বয় ও ফ্যাট নামে বোমা ফেলা হয় এতে ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়াম ছিল উভয় ক্ষেত্রেই নিউক্লিয়ার ফিশন বা বিভাজন বিক্রিয়া হয় তবে অ্যাটম বোমাতে এক্সপ্লোসিভ চেইন রিয়াকশন হয় যাকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না কিন্তু নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরে নিয়ন্ত্রিত বা কন্ট্রোল চেইন রিয়াকশন হয় নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরে থ্রি থেকে 5% এন্ডিস ইউরেনিয়াম ব্যবহার করা হয় এটম বোমার ক্ষেত্রের পরিমাণ 90% চিন্তা করুন কতটা বেশি এন্ডসমেন্ট ব্যাপারটা কি ইউরেনিয়াম 235 এর ভিতরে যে পদ্ধতিতে ইউরেনিয়ামের পরিমাণ বাড়ানো হয় তাকে বলা হয় এন্ডিসমেন্ট উদাহরণ হিসেবে বলা যায় এক গ্লাস জলে তিন থেকে পাঁচ ফোঁটা লেবুর রস দিলে যতটা টক হবে 90 ফোঁটা দিলে তার থেকে বেশি টক হবে অথবা বলা যায় কোন পানীয়তে 90% অ্যালকোহল থাকলে তাতে আগুন দিলে আগুন লেগে যায় অথচ 4% থাকলে অর্থাৎ বিয়ারে আগুন লাগে না নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরের অ্যাটম বোমার মতন বিস্ফোরণ কোন সময় হবে না এখন চেন রিয়াকশন বা শৃঙ্খল বিক্রিয়া কি যদি ধরে নিই পৃথিবীর শুরুতে দুজন মানুষ ছিল বর্তমানে তার থেকে কোটি কোটি মানুষ হয়েছে অর্থাৎ সংখ্যাটা বেড়েছে চেন রিয়াকশনে অল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর নিউটন তৈরি হয় এবং ভর ত্রুটির জন্য প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয় এখানে প্রথমে তিনটে নিউট্রন উৎপন্ন হয় তার থেকে ছটা নিউট্রন উৎপন্ন হয় ছটা থেকে নটা নটা থেকে 27 টা 27 টা থেকে 81 টা নিউটন উৎপন্ন হয় অর্থাৎ তিন এর গুণিতকে নিউটন সংখ্যা বৃদ্ধি পায় 81 টার পর কটা নিউটন উৎপন্ন হবে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন অর্থাৎ অল্প সময়ে অল্প সময়ে এর সংখ্যাটা বৃদ্ধি পাবে থাকে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরে কিভাবে কন্ট্রোল চেইন রিয়াকশন হয় কন্ট্রোল ডট সাধারণত ক্যাডমিয়াম বোরন কন্ট্রোল ডট সাধারণত ক্যাডমিয়াম বোরন ইন্ডিয়ামের তৈরি হয় তবে ক্যাডমিয়ামের ব্যবহার সবথেকে বেশি ক্যাডমিয়াম ভালোভাবে নিউট্রন শোষণ করতে পারে যেহেতু ফিশান বিক্রিয়ায় নিউটনের উপর নির্ভরশীল তাই কন্ট্রোল ডট ফিশান বিক্রিয়া কন্ট্রোল করতে পারে যখন কন্ট্রোল ডট কে অনেকটা গভীরে প্রবেশ করানো হয় তখন ক্যাডমিয়াম বেশিরভাগ ফিশার নিউট্রন শোষণ করে ফলে খুব অল্প সংখ্যক নিউট্রন চেইন রিয়াকশন করে আবার যখন কন্ট্রোল ডট কে উপরে উঠানো হয় তখন প্রচুর ফিশার নিউট্রনের মাধ্যমে চেইন রিয়াকশনের তীব্রতা বাড়ে ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ কন্ট্রোল ডট তুললে বিক্রিয়া বেশি হবে আর কন্ট্রোল ডট প্রবেশ করালে বিক্রিয়া কম হবে সাধারণত লোডের চাহিদা অনুসারে কন্ট্রোল রডের ওঠানামা ঠিক করা হয় সন্ধ্যাবেলায় প্রতিটি বাড়িতে লাইট ফ্যান চলে অর্থাৎ লোডের চাহিদা বেশি হয় এই সময় বেশি বিদ্যুতের দরকার তাই কন্ট্রোল ডট তুলতে হয় আবার রাত একটা থেকে ভোর চারটে পর্যন্ত লোডের চাহিদা কম থাকে কন্ট্রোল ডট প্রবেশ করিয়ে কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় যেহেতু ফিশানের মাধ্যমে চেন রিয়াকশন ঘটানোর জন্য দীর্ঘ নিউটন দরকার মডারেটর উৎপন্ন তীব্র গতি নিউটনের গতিবেগ কমায় নিউটনের গতিবেগ বেশি থাকলে যেমন এটম বোমায় থাকে একে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না ফলে বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে তাই বিদ্যুৎ উৎপাদনে অসুবিধা হবে মডারেটর হিসাবে সাধারণত জল গ্রাফাইট ভারী জল বা ডি টু ও প্যারাফিন ব্যবহার করা হয় তবে গ্রাফাইটের ব্যবহার বেশি মডারেটর ও কুলেন্ট একই জিনিস না আলাদা ছোট রিয়াক্টরের ক্ষেত্রে একই পদার্থকে মডারেটর ও কুলেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয় কুলেন্ট কি আমাদের ঘরের এসিতে কুলেন্ট থাকে সেটা ঘরের তাপ নিয়ে পরিবেশে দিয়ে দেয় একইভাবে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরে যে তাপ উৎপন্ন হয় কুলেন্টের মাধ্যমে সেই তাপ হিট এক্সচেঞ্জারে যায় সেখানে জলকে বাষ্পে পরিণত করে অর্থাৎ কুলেন্ট তাপ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে সাহায্য করে কুলেন্ট হিসাবে বাতাস কার্বন ডাইঅক্সাইড জল হিলিয়াম লিকুইড সোডিয়াম ভারী জল লিকুইড সোডিয়াম পটাশিয়াম অ্যালয় ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় তবে জল ভারী জল লিকুইড সোডিয়ামের ব্যবহার বেশি জল সরাসরি রিএক্টরে গরম করে স্টিমে পরিণত করা হয় না কেন কুলেন্ট এর মাধ্যমে হিট এক্সচেঞ্জারে নিয়ে যাওয়া হয় কেন জল সরাসরি রিএক্টরে গরম করলে খরচ কম হতো কিন্তু রেডিও অ্যাক্টিভ পদার্থের সংস্পর্শে আসার ফলে যারা পাওয়ার প্লান্টে কাজ করেন অর্থাৎ ইঞ্জিনিয়ার টেকনিশিয়ান কর্মীর ক্ষতি হতে পারে 100 ডিগ্রি সেলসিয়াসে জল বাষ্পে পরিণত হয় কিন্তু রিয়াক্টরে মধ্যে 320 ডিগ্রি সেলসিয়াসে জল বাষ্পে পরিণত হয় না কেন কারণ জলের চাপ বাড়ালে বয়লিং পয়েন্ট বাড়ে যেমন প্রেসার কুকারে 120 ডিগ্রি সেলসিয়াসে জল বাষ্পে পরিণত হয় একইভাবে রিয়াক্টরের প্রেসার বাড়িয়ে কুলেন্ড কে তরল রাখা হয় কারণ তরল অবস্থায় হিট ট্রান্সফার সুবিধা ও লাভজনক নিউক্লিয়ার রিফ্লেক্টরের কাজ কি আয়নার মাধ্যমে আলো যেরকম নির্দিষ্ট দিকে পাঠানো যায় সেরকম যে সমস্ত নিউটন কণা কোর থেকে বাইরের দিকে আসে রিফ্লেক্টরের মাধ্যমে তাদের আবার করে পাঠানো যায় রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার অথবা নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরের উপরের দিকটা ডোমশেপ বা গম্বুজের মতন থাকে কেন গোলাকার বা নলাকার হলে তৈরি করে কম উপাদান লাগে অর্থাৎ তৈরির খরচ কম হবে চাপ চারিদিকে সমান ভাবে পড়বে চার পাঁচ বছর পরও বান্ডেলড তাপ উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও কেন এগুলোকে পাল্টানো হয় চার পাঁচ বছর পর এর থেকে যে তাপ উৎপন্ন হয় তা বিদ্যুৎ তৈরির জন্য লাভজনক হয় না তাই পাল্টানো হয় চার পাঁচ বছর পর ফুয়েল রড গুলিকে জলের নিচে রেখে ঠান্ডা করা হয় তারপর সেগুলোকে পাকাপাকি ভাবে পদার্থ হিসেবে মাটির গভীরে সমুদ্রের নিচে অথবা জনপ্রাণহীন স্থানে পোতা হয় এগুলি এরপর হাজার হাজার বছর ধরে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায় এজন্য এদেরকে সরাসরি বায়ু জল ও মাটির সংস্পর্শে আনা হয় না বিশ্বে বর্তমানে বিদ্যুতের গড় চাহিদা 580 মিলিয়ন টেরাজুল যার 80% আসে কয়লা তেল গ্যাসের মত জীবাস্য জ্বালানি থেকে এরা একদিকে কার্বন নিঃস্বরণের মাধ্যমে পরিবেশকে দূষিত করে অন্যদিকের একদিন শেষ হয়ে যাবে সেজন্য বর্তমানে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট বানানোর দিকে ঝোক বাড়ছে এখানে কার্বন নিঃস্বরণের ভয় কম কিন্তু তেজস্ক্রিয় দূষণ বর্য ব্যবস্থাপনা ও আগে ঘটা বিভিন্ন দুর্ঘটনা যেমন ইউক্রেনের চেন্নোবিল জাপানের ফুকসীমায় ঘটা বিপর্যয় ভয়ের কারণ এইসব দুর্ঘটনার প্রভাব অনেক বছর ধরে চলতে পারে এমনকি বংশগতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে এখানে এখনো অনেক বাচ্চা জন্মায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা নিয়ে অন্যদিকে বিভিন্ন রিনিউয়েবল এনার্জি সোর্সেস যেমন সোলার এনার্জি উইন্ড বা বায়ুশক্তি জলবিদ্যুৎ শক্তি জিওথার্মাল বা ভূতাপশক্তি জোয়ার ভাটা শক্তি সমুদ্র তরঙ্গ শক্তি সমুদ্র তাপশক্তি এগুলো পরিবেশের ক্ষতি করে না তবে এদের এফিসিয়েন্সি কম এবং পরিবেশের উপর নির্ভর করে থাকতে হয় যেমন সূর্যের আলো ভালোভাবে না থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে অসুবিধা হয় যেমন রাত্রে বা বৃষ্টির দিনে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় না বাতাস না থাকলে উইন্ডমিল কাজ করে না পর্যাপ্ত জল না থাকলে জলবিদ্যুৎ তৈরি করা যায় না রাস্তায় হাঁটতে গেলে এক্সিডেন্ট হতে পারে তাই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত এক্সিডেন্টের ভয়ে হাঁটা বন্ধ করা উচিত না যে পথে এক্সিডেন্ট কম সেই পথে হাঁটা উচিত আমরা নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমাদের নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করা উচিত না রিনিউয়েবল এনার্জি সোর্স থেকে এনার্জি তৈরি করা উচিত কমেন্টের মাধ্যমে আপনারা জানাবেন এছাড়াও যারা বাংলাদেশ থেকে দেখছেন তারা বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও যারা ভারত থেকে দেখছেন তারা ভারতের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম কমেন্টে লিখুন ধন্যবাদ যদি ভিডিওটা ভালো লাগে তাহলে লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন এবং সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকবেন

Need a transcript for another video?

Get free YouTube transcripts with timestamps, translation, and download options.

Transcript content is sourced from YouTube's auto-generated captions or AI transcription. All video content belongs to the original creators. Terms of Service · DMCA Contact

পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কিভাবে কাজ করে।How DOES A NUCLE...