ঘরে বৌ রেখে বিয়ে করার পরিনতি | Ghore Bow Rekhe Biye Korar Porinoti | Bangla New Natok 2026

BD Shorts Flim2,601 words

Full Transcript

মা মা কই গেলা তাড়াতাড়ি আসো >> বৌমা তুমি সারকাসের মত এরকম সং কেন >> আপনার পোলা তো পাচ বছর পর দেশে আইতাছে ওর জন্য একটু হালকা পাতলা সাজছিলাম >> তোমার একদম সারকাসের জোকারের মত লাগতাছে >> এমনিতেই তো হইল গায়ের রং কালা হের পরে চেহারার কোন ডকই নাই হের পরে যদি আবার এরম সং রং টং মাইখা তাহলে তোমার কেমন লাগে তুমি একবার আনা তোমার নিজেরে দেখছো হ্যা তোমার মনে কি রং লাগছে এরকম বাড়িতে থাকলে কোন জামাই ভাই কি দেশে আসে? আসে না। >> মা ওই দেখো ভাইজান আসছে। >> কেমন আছো? কিরে জ্যোতি কেমন আছোস? >> এই যে ভাইজান খুবই ভালো আছি। >> তোমার লগে এই মাইয়াডা কেডা? >> ওর নাম রুপা। ওর সাথে আমার ফেসবুকে পরিচয়। ওরে কথা দিছিলাম দেশে ফিরেই ওরে বিয়ে করমু। [মিউজিক] তাই দেশে ফিরে সোজা ওরে নিয়ে কাজি অফিসে গেছি। কাজী অফিসে বিয়ে করে সোজা বাড়িতে নিয়ে চলে আইছে। >> তুমি ওরে বিয়া করছো? >> ওর মাথা ঘুরে উঠছে মনে হয়। তোমরা ওরে নিয়ে চিন্তা করো না। তুমি নতুন বউরে নিয়া ঘরে যাও। আসো না। >> আসো। [মিউজিক] ঠিক আছোস তুই? >> তুমি সত্যি আরেকটা বিয়ে করছো। >> করছি। >> কেন করছো তুমি আমার লগে এইডা? >> কেন করলা যদি লগে কেন? >> স্যার বল স্যার কইতেছি। >> তোরে আমার ভাল লাগে না। >> আমারে ভাল লাগে না তাহলে তুমি আমারে কেন বিয়ে করছো? >> তোরে বিয়ে করছি যৌতুকের টাকার জন্য। যাতে আমি বিদেশ যাইতে পারি। >> এখন কান্নাকাটি করার কোন লাভ নাই। তুই যদি মাইনা নিতে পারস মাইনা নিয়ে থাক। >> তো আর যদি মাইনা না নিতে পারস যৌতুকের টাকা ফেরত দিতাছি। টাকা নিয়ে চলা যা। [মিউজিক] >> আমারে ধোকা দিয়া নতুন একটা বিয়া করে সুখে শান্তিতে সংসার করব। বাসর করব। এই [সশব্দ হাসি] বাসর আমি কোনদিনও উঠে নিব না কোনদিন উঠে >> আমার বাসরঘর নষ্ট করতেছস আজকে ছোট বলে তুই বাইচা গেলি >> ছাড়লা কেন আমারে মাইরা ফালাইতে মানে আমি তো বাঁচতেও [সশব্দ হাসি] চাই না মাইরা ফালাইতে আমারে >> তুই তো তাই চাস আমি ভালো থাকি সুখে থাকি >> এই তুমি আমাদের বাসর ঘর কি করতেছো বাইর হও এই ঘর আমার এই ঘর ছাইড়া আমি কোথাও যামু না >> এই ঘর আমার এই ঘরে এখন থেকে রুপ থাকবো তুই না তুই বাইর হও এই ঘর থেকে বাইর হ >> আজ আমাদের বাসর আর বাসর রাইতে মেসেজ খারাপ করতে হয় কালকে রাইতে তুমি করছো সব কথা আমার কানে আইছে ছোট বৌমার জন্য তুমি শুধু বাড়ি গেছো তোমারে একটা কথা কই মানে তোমার ভালোর জন্যই আর কি কইতাছি তুমি না এই বাড়ি চলে যাও চলে যেতে কইতাছেন তোমার ভালোর জন্যই কইতাছি রাসেল কইছে তোমারেদ লাখ টাকা দিবদ লাখ টাকা কিন্তু কম না মেলা টাকা তুমিদ লাখ টাকা নিয়া য অন্য কোথাও বিয়া বসলা রাসেলও ছোট বৌমারে নিয়া থাকলো তোমারও ভালো হইল রাসেলেরও ভালো হইল আমগো বিয়ার সময় আমার আব্বা আমগো বাড়ি ভিটা সবকিছু বন্ধক রাখছিল মেম্বারের কাছে বন্ধক রাইখা পা লাখ টাকা নিয়ে আপনার পোলার দি আমার বাপ টাকা শোধ করার আগেই মইরা গেছে মেম্বার আমগো বাড়িঘর সবকিছু দখল কইরা দিছে এখন আমার বাপ নাই বাপের বাড়ি নাই এই দুই লাখ টাকা নিয়ে আমি কই যামু [মিউজিক] কয়দিন চল আমি টাকাও নিমু না এই বাড়ি ছেড়ে কোথাও যামু না >> বাড়ি ছেড়ে যখন যাবি না এই বাড়িতেই থাক দয়ামায়া করে এই বাড়িতে থাকতে দিমু কিন্তু শর্ত হইলো ছোট বউ লগে কোন ঝামেলা করতে পারবি না বাড়ির সকল কাম কাজ করবি থাকবি খাবি কিন্তু ছোট বউয়ের লগে কোন ঝামেলা করলে খাড় ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বাইর করে দিবো। কথাটা যেন মাথায় থাকে। চল। >> বাহ অনেক সুন্দর হইছে রান্না। যে সুন্দর তার সবকিছু সুন্দর। তুমি এত সুন্দর রান্না করতে পারো। তুমি আসলেই গণপতি। >> আমি তো রান্না করি নাই। >> তুমি রান্না করো নাই তো কে রান্না করছে? >> আমি রান্না করছি। মানুষ দেখতে সুন্দর না হইলেও রান্না তো ভালো হইতেই পারে। আর রান্না করার লাইগা তো সুন্দর চেহারার দরকার হয় না। দরকার হয় যত্নের। >> তুই এত কথা কইতাছোস কেন? রান্না করছোস তো কি হইসে? >> বহুত বড় কাম করে ফেলাইছোস মনে হইতেছে? >> বাদ দাও তো। তুমি ওর কথা কান দিও না। তুমি খাও। বউ তুমি খাইছো? >> না আমি খাইনি। >> না না তুমি খাও। দাও তোমারে একমা খাওয়ায়ে দেই। >> তুমি যে তোমার আদরের ছোট বউরে এত যত্ন করে খাওয়াই দিতেছো। অথচ আমি যে এত কষ্ট করে রান্না করলাম আমি খাইছি কিনা একটাবার জিগাইছো তুমি? >> তোরে জিগাইতে হব কেন? তুই কি কইছি খকি? যে সবকিছু তোর খোঁজখবর নিতে হইবো। তোর কিভাবে তুই নিজে নিজে খাবি? এমন ভাবিস না? আমি জিজ্ঞাসা করলে খাবি। আমি জিজ্ঞাসা না করলে খাবি না। এমন তো আর না। এখন খাওয়ার সময় চোখের সামনে দাঁড়াই থাকিস না। শহরে জিগাইতে দাও। >> খাও তো তুমি। ওর সাথে এত কথা বলার কি দরকার? তুমি যে সপ্তরের পাতে উঠাই দিলা তাহলে আমি কি দিয়া খাবো? >> তোর খাইতে হইবো না। এত বছর বিদেশ থেকে আমি বহু টাকা পাঠাইছি। এত বছর বহুত খাইছোস এখন কিছুদিন না খাইলেও চলবো। যাই আমার চোখের সামনে থেকে যা। মেজাজ খারাপ হইতাছে আমার। >> কি হইছে? কথা কানে যাইতাছে না? যাইতাছোস না কেন? >> বউ তো আমার কিছু লাগবে? >> তুই কিন্তু তোর বউয়ের উপরে অন্যায় করতেছোস। >> ভাই কি অন্যায় করতেছি? >> তুই বিদেশে যাওয়ার পর তোর বউ সংসারটা আগায় রাখছিল। তোর মায়ের সেবা যত্ন করতো। স্বামীর প্রবাসে গেলে অনেক বউ পরশুরের সাথে ফোঁচি করে। কিন্তু তোর বউ কখনো এমন কিছু করে নাই। এত ভালো একটা বউ থাকতে তুই আরেকটা বিয়া কেমনে করলি? আপনি আজমার চেহারা দেখছেন? ওর গায়ের রং দেখছেন? বাস্তব কথা হইলো বউ যদি সুন্দরী না হয় কোন পুরুষ মানুষের মূল সংসার ঠিক। এই আস যদি সুন্দরী হইতো তাইলে কি আমি পাঁচ বছর পর্দায় আসতাম? >> না। বউ যদি সুন্দরী হইতো কমপক্ষে আমি দুই তিনবার আইতাম। >> তুমি সুন্দরের পূজারী। তোর কাছে এই মন থো। >> কি করো তুমি? কথা কইতাছো না কেন? >> বুঝছেন? তুমি রাগ করছো তাই না? কি করমু? কও পাগর দেশে আইছি। একটু টুন্ড মত লগে আড্ডা দিতে দেরি হয়ে গেছে। বুঝো না? অনেকদিন পরে আইসে তো। >> কি হইতেছে এখানে? তুমি না আমায় বলছো না? তুমি তোমার বরাবরও সহ্য করতে পারো না? তুমি তারে দেখতে পারো না? আর এখন তুমি তারে জরাইয়ে ধরছো? এটা দেখে বাকি ছিল আমার? >> সে আমার জড়ায় ধরছে দেখে তুমি রাগ করতেছো কেন? সে যেমন তোমার স্বামী আমারও তো স্বামী। সে যদি তোমারে জড়ায় ধরতে পারে আমার জড়ায় ধরতে পারবো না কেন? আমারে সামান্য জরায় ধরছে দেখে তুমি এমন রাগ করতেছো। অথচ তুমি আমি থাকার শর্তে বিয়া করে আমার বাড়িতে পর্যন্ত চইলা আইছো। তাইলে আমার কেন লাগতেছে চিন্তা করো। আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে তুমি আজকে রাতে তোমার বড় বউর সাথেই ঘুমাও আমি যাই >> আরে তুমি রাগ করতেছো কেন আমি কি জানতাম এটা তুমি না আমি তো বলছি এটা তুমি এটা যদি আছো হইতো আমি কি জীবনে জড়াই ধরতাম আর তুই এই রুমে কি করস এত রাইতের বেলায় তোর বাড়ি যাও >> আর তোরে জয় দিলাম তুই করলি না কেন তুই যে রুপা না >> তুমি কি পরপুরুষ যে আমারে জরায় ধরলে আমি চিল্লাচিল্লি করুম চাচামিচি করে লোক [মিউজিক] আমি তো তোমার বউ আচ্ছা তুমি কইতে পারো তুমি শেষ কবে আমারে ভালোবেসে জড়ায় ধরছিলা >> ভালোবাসা আমি তোরে ভালোবাসি তোরে দেখলে আমার ঘিন্না লাগে তোরে দেখলে আমার ভালোবাসা আসে বাইরে আমার ঘর থেকে বাইরা >> বউ তুমি রাগ করছো রাগ করো না আমি তো বুঝতে পারি নাই এইডা আছমা আসমা যদি জানতাম তাহলে কি আমি জরে ধরতাম তুমি বুঝতেছো না প্লিজ তুমি রাগ করো না তুমি বোঝার চেষ্টা করো ও চাইতেছে আমাদের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হোক >> আমার শাড়িটা ধুইয়া দিও তো >> তোমার শাড়ি আমি ধুমু কেন তোমার শাড়ি তুমি ধুওগা >> তুমি ধুলে কি তোমার হাত খাওয়াইয়া যাইবো >> আমি তোমার শাড়ি ধুইতে পারমুনা আর আমি কি তোমার চাকরি লাগি >> কি হইছে >> তোমার আদরের ছোট বউ কইতাছে তার শাড়ি যেন আমি ধুইয়া দিই >> সে আমার কাছে আমার শাড়ি ধুয়া দিতে পারবো না সে নাকি আমার চাকরি না। >> শাড়ি দুইটা ধুয়ে দিলেই তো সব সমস্যার সমাধান হয়। চুপচাপ শাড়ি দুইটা ধুয়ে দে। >> কইলাম না আমি পারবো না শাড়ি দুইটা। >> ছোট বউ শাড়ি দেওয়া তো মামুন বিষয়। দরকার হলে তোর পা টিপে দিবি। ঘরের সব কাম করবি। সে যদি সন্তুষ্ট থাকে তাইলে মনে করবে আমি সন্তুষ্ট। আর সে যদি অসন্তুষ্ট থাকে আমি অসন্তুষ্ট। আশা করি কথাগুলো তোর বুঝে আসছে। [মিউজিক] >> তুমি তুমি এখানে আইছো কেন? >> আর শোনো তো কি করবো? তুমি আমারে ধোঁকা দিয়া প্রবাসীর লগে বিয়া করে সংসার পাচ্ছ। তুমি আমারে ধোঁকা দিছো। আমার বিশ্বাস নষ্ট করছো। বিশ্বাস নষ্ট কইরা প্রবাসীর লগে বিয়া কইরা সংসার করতেছো। >> আর আমি মাইনা নিমু। আমি মাইনা নিমু না। তোমার লগে আমার কত দিনের সম্পর্ক? কত গভীর সম্পর্ক? আমি সবকিছু তোমার প্রবাসীর স্বামীরে জানায় দিমু। >> লুকাইয়া লুকাইয়া পুরাতন প্রেমিকের লগে দেখা করতেছে। কথাটা ওরে জানাইতে সেও দেখুক কোন মায়ের লগে সে আমারে এত কষ্ট দিতাছে। >> তুমি মাথাটা ঠান্ডা করো। তুমি আমার কথাটা আগে শোনো। >> আমি তোমার কোন কথা শুনতে চাই না। >> তুমি দুইটা দিনের সময় দাও। আমি রাসেল ছাড়া তোমার কাছে চইলা আসুম। নিতান্ত তোমারে ভালোবাসি বইলা শেষবারের মতো আমি তোমারে বিশ্বাস কইরা দুইটা দিনের সময় দিতেছি। এই দুই দিনের মধ্যে যদি তুমি ওরে ছাইড়া আমার কাছে না আসো তাহলে কিন্তু সত্যি হতে সব কথা বইলা ফেললাম। >> আমি এখন কি করমু? তুমি যে তোমার ছোট বউরে এত ভালোবাসো সে কি তোমারে এত ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য? সে তো তোমার এত ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য না। >> কি কইতাছোস আবুল তাবল? তোর মাথা ঠিক আছে। >> আমি নিজে চোখে দেখে আইছি। তোমার আদরের নতুন বউ? সে যে তার পুরাতন প্রেমিকার লগে দেখা করতাছে। >> ছোট বউ নামে মিথ্যা অপবাদ দিতেছস। তাই না? >> আমি কোন মিথ্যা অপবাদ দিতাছি। আমি যা কইতাছি একদম সত্য কথা। কথা কইতাছি আমি নিজের চোখে দেখেছি আমি নিজের কানে শুনছি তোমার ছোট বউয়ের লগে তার গভীর সম্পর্ক ছিল তারে ধোকা দিয়ে তোমারে বিয়ে করছে আমার কথা যদি বিশ্বাস না হয় তাহলে চলো আমার লগে যাইয়া দেখবা চলো >> হ আমি যামু তোর কথা যদি মিথ্যা হয় তোর কপালে দুঃখ আছে কই দিলাম >> রুপা তুমি কই গেছিলা >> কোথায় গেছিলাম মানে এহ ঘরে বইসা থাকতে থাকতে না আমার খুব বিরক্ত লাগতেছিল এজন্য বাইরে একটু গেছিলাম গ্রামটা ঘুইরা দেখার জন্য কেন তুমি ওই কথা জিজ্ঞাসা করলা কেন >> বিয়ের আগে নাকি তোমার লগে এক ছেলের সম্পর্ক ছিল তারে ধোঁকা দিয়ে নাকি আমাকে বিয়ে করছো আর সেই ছেলের সাথে নাকি তুমি দেখা করতে গেছিলা এসব মিথ্যা কথা। এসব কথা তোমারে কে কইছে? বড় বউ কইছে। তুমি বড় বউয়ের কথা শুইনা তুমি আমার উপর সন্দেহ করতেছো। এই তোমার ভালোবাসা। আমার প্রতি এই তোমার বিশ্বাস। >> আজ মাঝে কইলে ওই নিজের চোখে দেখছে। তুমি ওই ছেলের সাথে কথা বলতেছিলা? >> সে আমার নামে একটা মিথ্যা অবাদ দিলে তুমি তা বিশ্বাস করলা? সে কাল যদি বলে আমি পরপর নিয়ে ঘরে ঢুকছি। তুমি তার কথায় বিশ্বাস করবা। আর তার কথা শুনে তুমি আমি বাড়ি থেকে বের করে দিবা। এই মিথ্যা কলঙ্ক নিয়ে বাড়ি থেকে বার হওয়ার চাইতে আমি এখনই বের হইয়া যাই। আমি বের হয়ে যাইতেছি। >> না রুপাল তুমি যাইও না। >> তুমি কি বুঝতেছো? তোমার বড় বউ যে তোমার আর আমার মধ্যে জ্ঞান জামাইতে চাইতাছে আর তুমি তার কথা শুনে তুমি আমার অবিশ্বাস করতাছো >> এই হারামজাদির কারণে আমি তোমার সন্দেহ করছি এই হারামজাদির আইস খবর আসছে >> তুমি চিন্তা কইরা দেখছো আমগো উপরে কেস মারা হইব ভাইবা দেখো ভালো কইরা >> বুঝতাছি না দেরি করতাছে কেন আজকে বুঝতেছি না ব্যাপারটা আসবো নাকি আসবো না আজকে যদি আমার কথাটা না রাখে তাহলে ওর কপালে খারাপই আছে আর তুমি আইসা পড়ছো আমি তো ভাবছি তুমি আসবা না >> বাড়িতে এত লোকজন সবার চোখ ফাকি দিয়ে আসা কত কষ্ট >> দেখে কিস এই ব্যাগে টাকা আর স্বর্ণের গহনা। >> কত টাকা? >> 12 লাখ। এই এত টাকা তুমি কই দিছো? রাসেল পাকা বাড়ি করার জন্য টাকা জমাইছিল। আর সেই টাকা আজ সকালে ব্যাং থেকে উঠাইয়া নিয়ে আইছি। বেচারা আমার কাছে বিশ্বাস করে দিছিলো। >> আরে স্বর্ণ কতটুকু আছো? >> এই চার পাঁচ ভরি হইবো। >> এতদিন পরে তুমি একটা কামের মত কাম করছো। >> এখন তাড়াতাড়ি এখান থেকে যাইতে হইবো। আমি বাড়িতে নাই। টাকা গহনা যদি না দেখতে পারে ওরা বুইঝে ফেলবো। যে আমি টাকা গহনা নিয়ে ভাগছি। তাড়াতাড়ি চলো। >> কিছুক্ষণ পরে ঢাকার ট্রেনে ছাড়বো। >> একবার যদি ট্রেনে ঘুরতে পারে বুঝস আর কোন চিন্তা নাই। থাক আমার কাছে তুমি চলো আমি ঠিক আছে >> ব্যাগ থেকে যে 12 লাখ টাকা আনছিলাম তা খুজে পাইতেছি না রুপারে যে বিয়েতে গহনা দিছিলাম জ্যোতির বিয়ের জন্য যে গহনা আছিলাম তাও পাইতেছি না >> কত বড় সর্বনাশ হয়ে গেছে তাহলে কি রুপা সব কিছু নিয়ে ভাইঙ্গা গেছে >> এক কাজ করো থানায় এখনই ফোন দাও >> ফোনও তো পাইতেছে না ফোনটাও তোমারে নিয়ে গেছে আমার এত বড় সর্বনাশ হয়ে গেছে আর তুই হাসতাছোস >> আমার কথা বিশ্বাস করো নাই তোমার আদরের ছোট বউয়ের কথা শুনে আমারে কত মারছিলাম মনে আছে তোমার তাও বউ যদি আমার কথা বিশ্বাস করতা তাহলে তো আজকে এইদিন দেখা লাগতো না >> তোমার ছোট বোনেরা কামাচ্ছিল হাত ধরে ঢাকা ট্রেন উঠতে >> তার আদরের ছোট বউ তার পাঁচ বছরের সমস্ত টাকা পয়সা গয়না নিয়া তার পুরাতন কেমিকের লগে ভাইঙ্গা গেছে >> হায় হায় ক কি এর জন্য তো তাদের হাত দেখে আমার সন্দেহ হইছিল আগে জানলে তো রেল স্টেশনে তাদেরকে আমি ধরে ফেলাইতাম ট্রেন তো অনেকক্ষণ আগে চলে গেছে আমার সারা জীবন সঞ্চয় টাকা পয়সা সব কিছু নিয়ে গেল আমি নিশ্চয় হয়ে গেলাম এখন আমার কি হইব কি করব আমি মা কি হইব আমার [মিউজিক] রাস্তা নিয়ে কই যাইতেছো? >> সারাদিন ঘরের কোনায় উঠানে পইড়া থাকে। ভাবলাম বাইরে থেকে একটু ঘুরাই নিয়ে আসি। বাইরে আলো বাতাসের তো দরকার আছে। >> ডাক্তার কি কইছে? >> ওর বাপ আসতো পুরা প্যারালাইজ। ওষুধ দিছে ওষুধ খাইতাছে। ফিজিও ডাক্তার ব্যায়াম করানোর লাইগা কইছে। এখন আল্লাহ যদি চায় তাহলে সুস্থ হইবো। আর না চাইলে আমি প্যারালাইস। >> তোরে দেখে আমার খুব আফসোস হইতাছে। রুপ দেইখা যারে বিয়া কইরা ঘরে আনলি। এত ভালোবাসলি! সেই বউই তোরে সর্বনাশ কইরা আরেক ছেলের হাত ধইরা ভাইঙ্গা গেল। আর যে বউরে তুই এত অবহেলা করলি এখন সেই বউর গাড়ি বুঝা হইলি। তোরে দেখে বুঝতাছি আল্লাহর বিচার কত কঠিন। আল্লাহ কখন কারে, কিভাবে বিচার করে বলা মুশকিল। >> সুস্থ থাকতে তো কথায় কথায় আমার গায়ে হাত তুলতা। এখন খালি হাত তুলো তো। >> মারো আমারে। কি পারতেছো না? খারাপ লাগতেছে, কষ্ট লাগতেছে। >> আহা, তুমি তো এখন প্যারালাইজ। ও সুস্থ থাকতে তো কোনদিনও আমার বউয়ের মর্যাদা দাও। অধিকার দাও নাই, ভালোবাসা দাও নাই, সম্মান দাও নাই। তাইলে এখন আমি কিসের লগে তোমার কাছে পড়ে থাকমু? তুমি যদি আমারে ভালোবাসতাহলে ভালোবাসার টানে, মায়ার টানে হয়তো তোমার কাছে পইড়া থাকতাম। কিন্তু এখন আমি কেন থাকমু? চলে যাই। >> যেতে যাইও না। গেলে আমারে কে দেখবো? >> কি কইলা? যামু না। পানি গেলে তোমারে কেব কে দেখবো তোমারে? তোমার মা আর বোন আছে না তারা দেখবো তোমারে। তারা আমারে তুই না >> এটা অবশ্য তুমি ঠিকই কইছো তাইলে কি কইতেছিল জানো কইতেছিল তোমার এখন রোজগার নাই উল্টা খরচ তাই তোমারে দিয়া কোনো সাহায্য উঠানো যায় কিনা >> ভিক্ষা করব >> কি কইলা ভিক্ষা করবা না কিন্তু তুমি তো ভিক্ষা করো আমার দয়ার ভিক্ষা আমি যদি তোমারে দয়া না করি তোমার জায়গা হইবো রাস্তায় বুঝছো যেদিন তুমি আমার গলা চাপ দিয়ে ধরছিলা সেদিন আমারও এমন অসহায় মনে হইতেছিল এখন যেন তোমার অসয় মনে হইতেছে আমার এমন ভয় লাগতেছিল এখন যেমন তোমার ভয় লাগতেছে কেমনে তাকায় আছো কেন >> খিদাস ভাত খেয়ে আ করো আসো আসো আরেকটু আরেকটু আরেকটু আরেকটু সামনে আরেকটু [মিউজিক] তোমার মনে আছে আমি যে তোমার লাইগা রান্না বান্না করে রাখতাম আর তুমি তোমার আদরের ছোট বড় বয় খাইতা আমার লাইগা কোন খাওয়ান তোমরা রাখতা না খোদার জ্বালা আমার থেকে ভালো কেউ বেছে না খোদার জন্য আমার পেট ব্যথা করতো। দুই মুখ ভাত খেতে অনেক ইচ্ছা করতো। এমন না আমাদের সংসারে অনেক অভাব আছে। কিন্তু তুমি ইচ্ছা করে আমার ভাতের কষ্ট দিছো। এখন তুমিও বুঝো খাইতে না পারো কত কষ্ট। তাহলে সরো আমার সামনের দিকে যাও। আমি তো ভুইলাই গেছি। তুমি আমারে থুইয়া কেমনে যাইবা? আমার সাহায্য ছাড়া তো তুমি চলতেও পারবা না। এমনি করে চাইয়া চড়েন।

Need a transcript for another video?

Get free YouTube transcripts with timestamps, translation, and download options.

Transcript content is sourced from YouTube's auto-generated captions or AI transcription. All video content belongs to the original creators. Terms of Service · DMCA Contact

ঘরে বৌ রেখে বিয়ে করার পরিনতি | Ghore Bow Rekhe Biye Kora...