অনাগন্ডা মুভিরঅজন পাওয়া সেই বিশাল অনাগন্ডার কথা আমরা অনেকেই জানি। যদিও সেটি কাল্পনিক। কিন্তু বাস্তবে Amazজন জঙ্গলও কোনদিক থেকেই কম ভয়ঙ্কর নয়। 2007 সালে এক সাহসী ম্যারাথন সাঁতার ও স্ট্রোল এমন একটি কাজ করেছিলেন যা আজও অবিশ্বাস মনে হয়। তিনি পুরো আমাজন নদী সাঁতরে পার হন| প্রায় 66 দিন ধরে প্রতিদিন টানা 10 ঘন্টা সাঁতার কেটে গড়ে তুলেছিলেন এক অনন্য বিশ্ব রেকর্ড| কিন্তু এত ভয়ঙ্কর নদীতে টিকে থাকা মোটেও সহজ ছিল না কারণ তিনি যেখানে সাঁতার কেটেছেন সেটি ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর নদী আমজন নদী এই নদীর পানিতে এক ফোঁটা রক্ত বের হওয়া মানে মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার পীড়ানহার আক্রমণ শুধু তাই নয় নদীর গহীনে লুকিয়ে থাকে হাঙ্গড় ইলেকট্রিক ইল আর কুমিরের মত প্রাণঘাতী শিকারী তাই স্ট্রোলকে রক্ষা করতে তার টিম সবসময় নৌকা নিয়ে পাশে থাকতো। এমনকি নদীর ধারে ঝুলিয়ে রাখা হতো মাংসের টুকরো। যাতে হিংস্র প্রাণীদের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া যায়। এটাই হচ্ছে অ্যামাজন রেইন ফরেস্ট। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সবচেয়ে ভয়ঙ্কর এবং রহস্যময় জঙ্গল। আজকের এপিসোডে আমরা জানবো এই জঙ্গলের সবচেয়ে ভয়ানক দিকগুলো সম্পর্কে। জানবো একটি বন ঠিক কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। এসটিআর বাংলায় নতুন হলে সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না। অ্যাপুরো Amazজন প্রায় 55 লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এই জঙ্গলকে রেইনফরেস্ট বলা হয় একটি বিশেষ কারণে। সারা বছর এমন খুব কম সপ্তাহেই যায় যখন বৃষ্টি হয় না। এখনো যখন আপনি এই ভিডিওটি দেখছেন তখনও কোথাও না কোথাও Amazজন বৃষ্টি পড়ছে। এই জঙ্গলের ঘনত্ব এতটাই প্রবল যে এখানে বৃষ্টি পড়লে তা মাটিতে পড়তেও 10 মিনিট সময় লাগে। আর সূর্যের আলো গাছপালার ঘন ছাউনি ভেদ করে মাটিতে নামতে না পারায় দিনের বেলাতেও এখানে অন্ধকারের ছায়া বিরাজ করে। অবিরাম বৃষ্টি আর অনন্য জলবায়ুর কারণে আমজন রেইনফরেস্ট জন্ম দিয়েছে অসংখ্য অদ্ভুত ও বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ প্রাণী। এখানে প্রায় 4000 প্রজাতির গাছপালা, 1300 প্রজাতির পাখি, 3000 প্রজাতির মাছ এবং 427 প্রজাতির স্তন্ন প্রাণীর বসবাস। শুধু তাই নয় এখনো পর্যন্ত এখানে প্রায় 25 লক্ষেরও বেশি নাম না জানা অসংখ্য অজানা প্রজাতির কীটপতঙ্গ আবিষ্কৃত হয়েছে যা পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যাবে না যেমন আমরা অনেকেই জানি আমজন রেনফরেস্টে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত ব্যাঙ পয়জন ডার্কফ এই ব্যাঙের শরীর থেকে নির্গত টক্সিক এতটাই মারাত্মক যে এক গ্রাম বিষ কয়েকশো মানুষকে মেরে ফেলতে সক্ষম তবে এছাড়াওঅজন জঙ্গলে এমন এক ধরনের ব্যাঙ পাওয়া যায় যেটির ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখার জন্য তাকে কেটে ফেলার প্রয়োজন হয় না। এটি হচ্ছে গ্লাস ফ্রগ। নাম শুনলেই বোঝা যায় এর শরীর যেন এক টুকরো স্বচ্ছ কাছের মত। গ্লাস ফ্রগের পেট ও শরীরের নিচের অংশ এতটাই স্বচ্ছ যে বাইরে থেকে দেখলে এর ভেতরের সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। আরো আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এই ছোট্ট ব্যাঙটির শরীরের ভেতরে ধুকপুক করা হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, লিভার এমনকি রক্ত চলাচল পর্যন্ত চোখে পড়ে। গ্লাস ওয়ার্ক সাধারণত রাতে সক্রিয় হয় এবং দিনে জঙ্গলের পাতা বা ডালে লুকিয়ে থাকে। এরা আকারে খুবই ছোট। সাধারণত দুই থেকে তিন ইঞ্চি লম্বা হয়। সবুজ ভাব দেহের কারণে পাতার সঙ্গে সহজেই মিলিয়ে যায়। ফলে শিকারীদের চোখ এড়িয়ে তারা বেঁচে থাকে। তবে যখন আলো পড়ে তখনই বোঝা যায় এরা কতটা ভিন্ন আর রহস্যময়। বিজ্ঞানীরা মনে করেন গ্লাস ফ্রগের স্বচ্ছ দেহ প্রকৃতির এক ধরনের সদ্যবেশ বা ক্যামিওফ্যাচ। যা তাকে বাঁচতে সাহায্য করে। কারণ পাতার উপর বসে থাকলে এর শরীরের স্বচ্ছ অংশ পেছনের রঙের সঙ্গে মিশে যায়। ফলে শিকারি প্রাণী পাখি কিংবা প্রাণীরা সহজেই তাকে খুঁজে পায় না। এছাড়াও আমরা আগেও জেনেছি অ্যামাজন জঙ্গলের সবচেয়ে ভয়ানক নদী সম্পর্কে। যাকে বলা হয় অজন নদী। হাজার হাজার মাইল জুড়ে বিস্তৃত অজন রেইনফরেস্টের বুক চিড়ে বয়ে চলেছে পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। এবং পানি পরিমাণের দিক থেকে বিশ্বের এক নাম্বার অজন নদী। এর দৈর্ঘ্য প্রায় 6840 কিলোমিটার। যা এতটাই বিশাল যে এটি আটটি দেশ পেরিয়ে প্রবাহিত হয়ে অবশেষে আটলান্টিক মহাসাগরে গিয়ে মিশেছে। আমজন রেইনফরেস্টে সারা বছর যে বিপুল পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়। তার প্রায় সবটাই গিয়ে জমা হয় এই নদীর মধ্যে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি এই নদী দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে গড়ে প্রায় 2 লক্ষ 19 হাজার ঘনমিটার পানি প্রবাহিত হয়। Amazজন নদীর জলপ্রবাহ এতটাই বিরাট যে পৃথিবীর শীর্ষ 10 টি নদী মিলিয়েও এর পানি প্রবাহের সময় ফেলছে। সেখানে সিন্ধু পানি বহন করছে মাত্র 7000 ঘনমিটার। তাহলে পার্থক্যটা খুব সহজেই বোঝা যায়। এমনকি বিশ্বের বিখ্যাত নীলনদ নদীর সাথেও এর কোন তুলনা চলে না। আরেকটি আশ্চর্য তথ্য হচ্ছে Amazজন নদীর মোহনায় এতটাই চওড়া যে অনেক জায়গায় এর প্রস্থ প্রায় 48 কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। মানে এক তীর থেকে আরেক তীর দেখা প্রায় অসম্ভব। বর্ষাকালে এই প্রস্থ বেড়ে গিয়ে প্রায় 190 কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যা একটি সমুদ্রের মতোই মনে হয়। আর ঠিক এই কারণে পৃথিবীর আপনি অন্য যেকোন নদীর উপরে ব্রিজ নির্মাণ করতে দেখবেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত অজন নদীর উপর ব্রিজ তৈরি করা সম্ভব হয়নি। শুধু তাই নয় অজন নদীতে রয়েছে প্রায় 1100 টিরও বেশি উপনদী। যার মধ্যে প্রায় 17 টি নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় 1000 কিলোমিটার এরও বেশি। আর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হচ্ছে এই নদীর অন্ধকার পানির নিচে লুকিয়ে থাকে বিখ্যাত পিরান হামাজ যারা দল বেঁধে আক্রমণ করে এবং কয়েক মিনিটে শিকারকে কঙ্কালে পরিণত করে ফেলে এছাড়াও পানির ভেতরে শিকার করে বেড়ায় বিখ্যাত ব্ল্যাক কাইম্যান প্রায় 20 ফুট লম্বা এই কুমিরের কামড় এতটাই শক্তিশালী যে শিকার ধরলে আর ছাড়ে না এছাড়াও এই নদীর পানির নিচে রয়েছে ইলেকট্রিক ইল যারা শিকারকে 600 ভোল্ট পর্যন্ত বৈদ্যুতিক শক দিতে সক্ষম তবে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হচ্ছে আমজন জঙ্গলে এই নদী ছাড়াও আরেকটি ভয়ানক নদী রয়েছে। যেটিকে বলা হয় ফুটন্ত নদী। পৃথিবীর আর অন্য কোন জঙ্গলে এরকম নদী সচরচর দেখা যায়। প্রায় 6াড়েছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদী দিয়ে প্রবাহিত পানির তাপমাত্রা অবিশ্বাস্য রকম গরম। প্রায় 91 থেকে 100 ডিগ্রি সেলসিয়াস এরও বেশি। অর্থাৎ এখানে পড়ে গেলে কোন প্রাণীরই বাঁচার আর উপায় নেই। চোখের পলকে শরীর পুড়ে যায়। এমনকি প্রাণীগুলো সিদ্ধ হয়ে ভেসে ওঠে। এই নদীটির চারপাশে সবসময় ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। যেন পুরো এলাকায় এক বিশাল কড়াইতে ফুটছে। অ্যামাজন জঙ্গলকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাপের অঞ্চল। কারণ এই জঙ্গলেই পাওয়া যায় গ্রীন অ্যানাগন্ডা। এরা বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ও ভারী সাপ। গরে 25 থেকে 30 ফুট লম্বা আর ওজনে প্রায় 100 কেজিরও বেশি হতে পারে এরা। অ্যানাগন্ডা সাধারণত পানির ভেতর লুকিয়ে থাকে। এবং শিকার কাছে এলেই ঝাপিয়ে পড়ে। আর তাকে শরীর দিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে শিকার শ্বাসর রোদের ফলে মারা যায়। তারপর অ্যানাগন্ডা তাকে গিলে ফেলে। আরো আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এরা হরিণ, বুনোশুকর, কুমির এমনকি বড় বিড়াল প্রজাতির প্রাণীকেও পুরোটা গিলে ফেলতে সক্ষম। অমাজন রেইনফরেস্টে এই গ্রীন অ্যানাগন্ডা ঠিক কতগুলো রয়েছে তা আজও সঠিকভাবে জানা যায়নি। আর এত কারো সাহসও নেই যে অনাগন্ডা গুলো খুঁজে খুঁজে বের করবে। এছাড়াও এই জঙ্গলের একটি ছোট্ট পিপড়েও মানুষকে দিতে পারে তার জীবনের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক। কারণ আমজন জঙ্গলে পাওয়া যায় পৃথিবীর সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক কামড় দেওয়া পিঁপড়ে বুলেট এক। নামের মতোই এর কামড়ের ব্যথা যেন শরীরে গুলি লাগার মতো। গবেষকরা বলেন, এটি হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বেদনাদায়ক কামড়। যা 24 ঘন্টারও বেশি সময় ধরে অসহ্য যন্ত্রণা দেয়। কামড়ানোর মুহূর্তে শরীর জ্বালা করে। পেশি কাঁপতে থাকে। এমনকি অনেক সময় মানুষ অচেতন হয়ে যায়। স্থানীয় উপজাতিরা এই বুলেট এন্ড কে এক ধরনের পরীক্ষা হিসেবে ব্যবহার করে। বিশেষ করে ছেলেদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার অনুষ্ঠানে তাদের হাতভর্তি বুলেট এন্টের দংশন সহ্য করতে হয়। এটি তাদের কাছে সাহস আর সহনশীলতার প্রতীক। Amazজনের বিশাল জঙ্গলে প্রায় 600 টিরও বেশি উপজাতিরা বসবাস করে। আরো সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো এই 600 উপজাতির মধ্যে প্রায় 100 টির উপজাতি বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে কোন যোগাযোগই নেই। তারা এইখানে স্বীকার করে এবং এইখানেই তাদের জীবন কাটে। যখন হঠাৎ তাদের সামনে বাইরের কোন মানুষ এসে দাঁড়ায় তখন তারা এমনভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় যেন ভিন্ন গ্রহের এলিয়েন এসে পড়েছে।অজন জঙ্গলে বর্তমানে বৈজ্ঞানিকভাবে শনাক্ত প্রায় 20 থেকে 30 প্রজাতির মাংসাসী বা কার্নিফোরাস গাছ রয়েছে। তবে স্থানীয় কিংবদন্তী এবং অভিজাত্রীরা বিশ্বাস করেন গভীর অরণ্যে আরো প্রায় 50 থেকে 60 টি অজানা এবং রহস্যময় মাংসাসী গাছ থাকতে পারে। এই গাছগুলো কিন্তু সাধারণ গাছের মতো নয়। এগুলো লতাপাতা, শিকর এবং ঝোপঝার এমনভাবে বেড়ে ওঠে যেন মনে হয় এগুলো জীবন্ত প্রাণীর মত শিকার ধরতে সক্ষম। স্থানীয় লোকতা অনুযায়ী যখন কোন ছোট প্রাণী বা মানুষের মত শিকার গাছটির কাছাকাছি আসে তখন এর লতাগুলো ধীরে ধীরে নাড়াচাড়া করে শিকারের চারপাশে জড়িয়ে ধরে। লতার উপর থাকা আঠালো রস ও ছোট থোড়া শিকারের শরীরকে ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় করে। একবার শিকার ফাঁস হলে গাছটি তার শরীর থেকে আদ্রতা, পুষ্টি এমনকি কিছু প্রোটিন শোষণ করতে পারে। যা গাছের দ্রুত বৃদ্ধি এবং বেঁচে থাকার ক্ষমতাকে সহায়তা করে। যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে মানুষকে খেয়ে ফেলার মত কোন গাছ আজ পর্যন্ত আমজনে আবিষ্কৃত হয়নি। তবুও শিকারী প্রাণী এবং পাখিরা এই অঞ্চলে গাছের কাছাকাছি যেতে ভয় পায়। এই আচরণ এবং স্থানীয় কিংবদন্তি মিলিয়ে মাংসাসী গাছের গল্পঅজনের গভীর অরণ্যকে রহস্যময় ও ভয়ঙ্কর করে তোলে।অজন অ্যামাজন জঙ্গলে রয়েছে অসংখ্য রহস্যময় স্থান যেগুলো সাধারণত মানুষের চোখে পড়ে না। আর এগুলো খুঁজে বের করতে দরকার হয় স্যাটেলাইটের। এখনো পর্যন্ত অ্যামাজন জঙ্গলে স্যাটেলাইট এর মাধ্যমে আবিষ্কৃত হয়েছে প্রায় 300 টিরও বেশি জিওগ্লিফ। এই জিওগ্লিফ হচ্ছে মাটিতে আঁকা এক বিশাল চিত্রকর্ম। অ্যামাজনে এমন কিছু চিত্রকর্ম পাওয়া গেছে যেগুলোর দৈর্ঘ্য প্রায় দেড় কিলোমিটার এরও বেশি। তবে সবচেয়ে ভয়ানক বিষয় হচ্ছে এই জিওগ্রেফগুলো আসলে কারা বানানো এবং মাটিতে এত বিশাল চিত্রকর্ম কিভাবে সম্ভব এবং এর আসল উদ্দেশ্যই কি ছিল। গবেষক এবং ইতিহাসবিদরা বিভিন্ন তত্ত্ব প্রস্তাব করেছেন এর বিষয়ে। কেউ কেউ মনে করেন প্রাচীনকালে এলিয়েনদের চিহ্ন এগুলো। আবার কেউ কেউ বিশ্বাস করেন হাজার হাজার বছর আগে এই অঞ্চলে কোন অজানা সভ্যতা বসবাস করতো। যারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই বিশাল নকশা তৈরি করেছিল। চিহ্নগুলো এতটাই নিখুত যে জ্যামিতিক ডিজাইন আকার এবং বিস্তৃত দেখে ধারণা করা হয় সবগুলোর পারফেক্ট সাইজের তৈরি। এগুলো কেবল সৃজনশীল শিল্পই নয় বরং ধার্মিক বা সাংস্কৃতিক কার্যক্রমেরও অংশ হতে পারে।অজন জঙ্গল আমাদের পৃথিবীর একটি সত্যিই বিষয়। এর ব্যাপারে যতই কথা বলা হয় মনে হয় যেন শেষই হয় না। আজকের ভিডিওটি আপনার কাছে ইনফরমেটিভ লাগলে অবশ্যই এসটিয়ার বাংলা কে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। দেখা হচ্ছে নতুন এপিসোডে।
Get free YouTube transcripts with timestamps, translation, and download options.
Transcript content is sourced from YouTube's auto-generated captions or AI transcription. All video content belongs to the original creators. Terms of Service · DMCA Contact
Browse transcripts generated by our community




![CHARLA #640 - Choque de Cultura [Leandro Ramos, Caito Mainier & Daniel Furlan]](https://img.youtube.com/vi/QslY7HHHcDc/mqdefault.jpg)

![CHARLA #335 - Caito Mainier & Daniel Furlan [Falha de cobertura]](https://img.youtube.com/vi/3sa0LAflDRQ/mqdefault.jpg)












