তুমি কি কখনো আল্লাহর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করেছো আল্লাহ কেন তুমি সবাইকে বড়লোক বানালে না কেন কেউ পাচ্ছে প্রাসাদ কেউ পাচ্ছে রাস্তার ধুলো কেন একজনের পাতে গোস্ত আরেকজনের পাতে শুধু শূন্যতা আজ থেকে 1400 বছর আগে মদিনার এক রাতে এক গরীব মানুষও ঠিক এই প্রশ্নটাই করেছিল সে গিয়েছিল সরাসরি রাসূলুল্লাহর কাছে এবং যা শুনেছিল সে সেদিন রাতে তা তার জীবন চিরতরে বদলে দিয়েছিল। এই গল্প শুধু তার একার নয় এই গল্প তোমার আমার আমাদের সবার। শোনো মনোযোগ দিয়ে। কারণ এই গল্পের শেষে তুমি আর কখনো আল্লাহর ফয়সালা নিয়ে আফসোস করবে না। যে ধনী হতে চেয়েছিল আল্লাহর হিকমতের এক অজানা কাহিনী। মদিনার গলিপথে রাত নামলে যখন চারদিকে নীরবতা ছেয়ে যায়, তখন একটি ছোট্ট মাটির ঘর থেকে একটি দীর্ঘ নিঃশ্বাসের শব্দ ভেসে আসতো। সেই নিঃশ্বাসের নাম ছিল হারেস ইবনে মালিক। হারেস একজন সাধারণ মানুষ। না তার রূপের কাফেলা আছে, না তার খেজুর বাগান আছে, না তার হাতে রুপার দিনার ঝনঝন করে। তার আছে দুটো হাত একটি সৎ হৃদয় আর একটাই প্রশ্ন যে প্রশ্নটা রাত হলেই তার ঘুম চুরি করে নিয়ে যায় সে সাহাবী রাসূলুল্লাহর সাথে হিজরত করে মদিনায় এসেছে বদরের মাঠে দাঁড়িয়ে ইসলামের জন্য লড়াই করেছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কাজা করেনি কখনো কিন্তু তারপরেও জীবন তাকে যা দেয়নি সেটার কথা মাঝে মাঝে মাথায় এসে ভিড় করে সেদিন ছিল এক বিকেলের শেষে মদিনার বাজারে হারেস গিয়েছিল সামান্য কিছু কিনতে। পথে দেখল আবু সুফিয়ানের পুরনো বন্ধু এখন মুসলমান হয়েছে। তার নতুন বাড়িতে রাজমিস্ত্রিরা কাজ করছে। ইট পাথরের শব্দ কর্মচঞ্চল মানুষ কত বড় করে বানাচ্ছে সে তার ঘর। হারেসের মন একটু কেমন করে উঠলো। সে ইসলাম গ্রহণের আগেও ছিল মাঝারি মানুষ। ইসলামে আসার পরেও মাঝারি রয়ে গেছে অথচ কেউ কেউ আছে আল্লাহ তাদের দুনিয়াতেও দিচ্ছেন আখেরাতেও তারা ভালো মানুষ তাহলে কেন হারেসকে শুধু কষ্ট করে যেতে হবে আল্লাহ কি চান না যে সে ভালো থাকুক সেই রাতে হারেস সিদ্ধান্ত নিল সে যাবে রাসুলুল্লাহর কাছে মনের এই প্রশ্নটা আর বুকে চাপা রাখবে না মসজিদে নববীর পাশে রাসূলুল্লাহ বসেছিলেন কয়েকজন সাহাবীকে নিয়ে সন্ধ্যার নামাজ সবে শেষ হয়েছে আকাশে তারা ফুটতে শুরু করেছে। খেজুর গাছের পাতার মধ্যে দিয়ে মৃদু বাতাস বয়। হারেস এসে সালাম দিল। রাসূল সালামের উত্তর দিলেন এবং হাসি মুখে তার দিকে তাকালেন। সেই দৃষ্টি যে দৃষ্টিতে পড়লে মনে হয় সে মানুষটি তোমাকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। হারেস একটু ইতস্তত করে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি কি আপনাকে একটি কথা বলতে পারি? রাসূল বললেন, বল হারেস। হারিস মাথা নিচু করে বলল আমি জানি এই প্রশ্নটা করা উচিত কিনা কিন্তু আমার মন থেকে সরাতে পারছি না আমি ভাবি আল্লাহ সবাইকে এক করে তৈরি না করেই কেন দেননি সবাইকে কেন সমান রিজিক দেননি কেউ পায় অনেক কেউ পায় কম আমি কি ভুল করছি এই প্রশ্ন করে মসজিদের বাকি সাহাবীরা চুপ হয়ে গেলেন সবার চোখ রাসুলুল্লাহ দিকে রাসূলুল্লাহ মুহূর্তের জন্য থামলেন তারপর একটু মৃদু হেসে বললেন হারে আরে বসো আজ আমি তোমাকে একটি গল্প বলব চিন্তা করো রাসূল শুরু করলেন একটি কাফেলার কথা দূর সফরে বের হয়েছে মরুভূমির মাঝে এক রাতের বিশ্রামের জায়গায় থেমেছে কাফেলার সর্দার বুদ্ধিমান মানুষ সে জানে যে রাতে পাহারা দিতে হবে নইলে চোর আসবে বিপদ আসবে সরদার কাফেলার মানুষদের ডাকলো বলল আজ রাতে পাহারার দায়িত্ব নেবে কে যে নেবে সে আজ রাতে ঘুমোবে না কিন্তু আগামী কাল যখন কাফেলা গন্তব্যে পৌঁছাবে সে পাবে সবচেয়ে বড় পুরস্কার। একজন এগিয়ে এল সে পুরো রাত জেগে থাকল। ক্লান্তি ছিল ঘুম আসছিল কিন্তু সে দায়িত্ব ছাড়েনি। আরেকজন সারারাত ঘুমোল। ভালো ঘুম হলো তার। কিন্তু কাফেলা গন্তব্যে পৌঁছে যে জেগে ছিল সে পেল সেই পুরস্কার। হারেস মাথা তুলে রাসূলুল্লাহর দিকে তাকালো। রাসূল বললেন হারেস এই দুনিয়াটা হলো সেই রাত আর আখেরাত হলো সেই গন্তব্য। আল্লাহ কাউকে বেশি দিয়েছেন দুনিয়ায়, কাউকে কম দিয়েছেন। কিন্তু তিনি কাউকে পরীক্ষা করছেন প্রাচুর্যের মাধ্যমে, কাউকে করছেন কষ্টের মাধ্যমে। দুটোই পরীক্ষা। আর পরীক্ষায় কি কেউ সমান নম্বর পায়? হারেস চুপ করে রইল। রাসূল একটু থেমে আবার বললেন হারেস তুমি কি জানো যে মানুষকে আল্লাহ অনেক সম্পদ দিয়েছেন তার হিসাব আখেরাতে কত কঠিন হবে? হারিস বলল না ইয়া রাসূলাল্লাহ রাসূল বললেন কিয়ামতের দিন সে জিজ্ঞাসিত হবে তোমাকে যে সম্পদ দেওয়া হয়েছিল কোথা থেকে অর্জন করেছিলে কোথায় খর্চা করেছিলে গরীবের হক কতটুকু দিয়েছিলে সম্পদের মোহে আল্লাহকে কতটুকু ভুলেছিলে এতগুলো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে তাকে আর যে গরিব ছিল যে কষ্টে ছিল কিন্তু সবর করেছিল শোকর করেছিল সে পার পেয়ে যাবে অনেক সহজে কারণ আল্লাহ তার পরীক্ষা ছিল ধৈর্যের পরীক্ষা আর ধৈর্যের পুরস্কার দেন আল্লাহ নিজে কোন হিসাব ছাড়া হারিসের বুকের ভিতর কিছু একটা কাঁপলো সেই রাতে মসজিদের বাইরে চাঁদের আলো পড়েছিল খেজুর গাছের ছায়া মাটিতে দুল ছিল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারিসের দিকে সরাসরি তাকালেন এবং বললেন হারিস আমি তোমাকে একটি সত্য কথা বলব আল্লাহ যদি সবাইকে ধনী বানাতেন তাহলে কে করত কৃষিকাজ কে করত ব্যবসা কে চালাতো পানির কূপ কে বানাতো ঘর সমাজ টিকিয়ে রাখতে হলে মানুষের মধ্যে পার্থক্য দরকার কেউ নেতৃত্ব দেবে কেউ সেবা করবে কেউ শ্রম দেবে এটাই আল্লাহর হেকমত কিন্তু শোনো এই পার্থক্য সম্মানের পার্থক্য নয় আল্লাহর কাছে মানুষের সম্মান তার তাকওয়া দিয়ে মাপা হয় সবচেয়ে গরীব মানুষটিও যদি আল্লাহকে ভয় করে সত্যকে ধরে রাখে সে আল্লাহর কাছে সেই ধ্বনির চেয়ে অনেক উঁচুতে যে সম্পদে ডুবে আছে কিন্তু গাফেল। হারেস সেই রাতে বাড়ি ফিরল। কিন্তু এবার তার পা ভারী ছিল না। মন হালকা ছিল। সে তার ছোট মাটির ঘরে ঢুকল। দেওয়ালে ফাটল আছে। মেঝেতে সাদা মাটা চাটাই। কিন্তু সে শুয়ে পড়ল এবং প্রথমবারের মতো মনে হলো এই ঘর যথেষ্ট। এই রিজিক যথেষ্ট। আমি যথেষ্ট। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজ তাকে শিখিয়ে দিয়েছেন দুনিয়ার হিসাব এখানে শেষ নয়। যে পথে সবাইকে যেতে হবে সেই পথে সম্পদ সাথে যাবে না। কবরে যাবে শুধু আমল আর আমলের মাঠে হারেস কিন্তু খালি হাতে নেই। কিন্তু এখানেই গল্প শেষ নয়। কয়েক সপ্তাহ পরের কথা। হারেস বাজারে গেছে। পথে এক বৃদ্ধ মানুষকে দেখলো ভারী বোঝা বহন করছে একা। কেউ সাহায্য করছে না। হারেস নিজে এগিয়ে গেল। বোঝাটা তুলে নিল নিজের কাঁধে। বৃদ্ধ মানুষটি কৃতজ্ঞ চোখে তাকালো। বলল, তুমি কে বাবা? হারেস বলল, আমি হারেস। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত। বৃদ্ধ বলল, তোমার মত মানুষ থাকলে দুনিয়াটা সুন্দর। হারেস সেদিন অনুভব করল, সে যা হারিয়েছিল মনে করেছিল তা আসলে হারায়নি। আল্লাহ তাকে অনেক দিয়েছেন। সুস্থ শরীর, সৎ মন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য, ঈমান, এগুলোর মূল্য কোন সোনার দিনারে মাপা যায় না। এরপর একদিন মদিনায় ফসলের মৌসুম। হারেস কাজে বের হয়েছে। এক ধনী ব্যক্তির জমিতে খেজুর তুলতে সাহায্য করছে মজুরির বিনিময়। কাজ করতে করতে বিকেল হল। সেই ধনী ব্যক্তি এসে হারেসের হাতে মজুরি দিল। তারপর চলে গেল দ্রুত। একটুও কথা বলল না। একবারও জিজ্ঞেস করল না তুমি কেমন আছো? ক্লান্ত কিনা? হারিস মজুরির দিরহামগুলো হাতে নিয়ে বসে রইল একটু। মনে পড়লো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা। সম্পদ মানুষকে কখনো কখনো কঠিন বানিয়ে দেয়। হৃদয়ের সাথে সম্পর্ক কেটে দেয়। হয়তো এই মানুষটাও একদিন ছিল সাধারণ। অনেক সম্পদ আসার পর পাল্টে গেছে। হারিস ভাবলো আল্লাহ হয়তো আমাকে এই কষ্টের জীবন দিয়ে আমার হৃদয়কে জীবিত রেখেছেন। বছর কয়েক পরের ঘটনা একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের ডাকলেন যার যা সামর্থ্য আছে দান করুক আল্লাহর রাস্তায়। ধনী সাহাবীরা উট ঘোড়া অস্ত্র খাবার কত কিছু দিলেন হারেসের কাছে ছিল শুধু দুটো খেজুর সে লজ্জিত হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এল এবং দুটো খেজুর এগিয়ে দিল কেউ কেউ মুচকি হাসল এত ছোট দান কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই দুটো খেজুর নিলেন দুই হাতে বললেন এই দানকে আল্লাহ বড় করে দেবেন যে যতটুকু পারে তা দিয়েই দেওয়া উচিত সেই রাতে হারেস বুঝলো আল্লাহর কাছে পরিমাণ নয় নিয়ত গুরুত্বপূর্ণ। সে দুটো খেজুর দিয়েছিল নিঃস্বার্থভাবে। এটাই হয়তো সেই ধনীর হাজার দিরহামের চেয়ে বেশি মূল্য রাখে আল্লাহর দরবারে। হারেসের জীবনে আরো একটি দিন এল। যেদিন সে নিজেই বুঝলো আল্লাহ আসলে তাকে কি দিয়েছেন। সে বছর মদিনায় দুর্ভিক্ষের ছোঁয়া লেগেছিল। অনেকের ঘরে খাবার নেই। হারেস নিজেও কষ্টে আছে কিন্তু সে খবর পেল পাশের গলিতে একটি পরিবার তিনদিন ধরে না খেয়ে আছে ছোট ছোট শিশু হারেসের ঘরে ছিল সামান্য জব সে ভাবল এটা দিয়ে দিলে নিজে কষ্টে পড়বো একটুই তস্ত করল তারপর মনে পড়লো সেই রাতের কথা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন পরীক্ষা হচ্ছে দেওয়ার সময় যখন তোমার নিজেরও কম তখন যদি দিতে পারো সেটাই সবচেয়ে বড় দান হারে সেই জবের ভাগ নিজের জন্য রাখলো আর বাকিটা নিয়ে গেল সেই পরিবারের কাছে। সেই পরিবারের মা দরজা খুলে দেখল হারেস দাঁড়িয়ে হাতে খাবার। সে কাঁদতে শুরু করল। বলল আল্লাহ তোমাকে জান্নাত দিন। হারেস বাড়ি ফিরল খালি হাতে। কিন্তু বুকের ভেতরে এমন এক সুখ ছিল যা কোন সোনার মুদ্রা কিনতে পারে না। সেই রাতে হারিস আকাশের দিকে তাকালো। তারাগুলো জ্বলছে। আজ থেকে অনেক বছর আগে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে যে কথা বলেছিলেন, আজ সে সেটা পুরোপুরি অনুভব করতে পারছে। আল্লাহ সবাইকে ধনী বানাননি। কারণ এই পৃথিবীতে শুধু ধনীর হৃদয় দিয়ে সেবা হয় না। সেবা হয় সেই মানুষের হৃদয় দিয়ে যে নিজে কষ্ট জানে। যে নিজে ক্ষুধার জ্বালা বোঝে। যে জানে অভাদের রাত কত দীর্ঘ হয়। হারেস ছিল সেই মানুষ। আর আল্লাহ তাকে এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এমন এক সম্পদ দিয়েছিলেন যা পৃথিবীর কোন বাজারে বিক্রি হয় না| সেই সম্পদের নাম সহানুভূতি মানবিকতা আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল সময় গড়িয়ে গেল হারেস বৃদ্ধ হলো তার ছেলেমেয়েরা বড় হলো গরীব ঘরেই বড় হলো কিন্তু সৎ হলো পরিশ্রমী হলো মানুষকে ভালোবাসতে শিখলো একদিন হারেসের ছেলে জিজ্ঞেস করল আব্বা তুমি কি কখনো মনে করেছ আল্লাহ যদি আমাদের ধনী বানাতেন হারেস থামলো দীর্ঘ একটা শ্বাস নিল তারপর বলল একবার করেছিলাম সেই রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে যা বললেন তার পর থেকে আর করিনি কারণ আমি বুঝেছি আল্লাহ আমাকে ভালো করেই চেনেন তিনি জানেন আমার জন্য কোনটা ভালো আমি যদি ধনী হতাম হয়তো ঘরে বসে থাকতাম সেই বৃদ্ধ লোকটার বোঝা বহন করতাম না সেই পরিবারের কাছে খাবার নিয়ে যেতাম হয়তো আমার হৃদয় পাথর হয়ে যেত। আল্লাহ আমাকে গরীব রেখেছেন কারণ তিনি চেয়েছেন আমার হৃদয় জীবিত থাকুক। ছেলে চুপ করে রইল। হারেসের জীবনের শেষ রাত এলো শীতের এক মৌসুমে। শরীর দুর্বল কিন্তু মন শান্ত। মৃত্যু সজ্যায় শুয়ে হারেস তার ছেলেমেয়েদের ডাকল। বলল, আমি তোমাদের সম্পদ দিয়ে যেতে পারিনি। কিন্তু একটা কথা দিয়ে যাচ্ছি। এই দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় গরীব সে নয় যার কাছে টাকা নেই। সবচেয়ে বড় গরীব সে যার মনে আল্লাহর শুকর নেই। আর সবচেয়ে বড় ধনী সে নয় যার ঘরে সোনা আছে। সবচেয়ে বড় ধনী সে যার মনে আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ ভরসা আছে। আমি গরীব হিসেবে জীবন কাটিয়েছি। কিন্তু আল্লাহর কসম আমি ধনী ছিলাম। কারণ আমার মনে কখনো হাহাকার ছিল না। আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন তাতে আমি সন্তুষ্ট ছিলাম। এটুকু বলে হারেস চোখ বন্ধ করল। তার ঠোঁটে ছিল কলেমার শব্দ। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ। হারেসের কবর হলো মদিনার মাটিতে। সাধারণ মাটি। কোন পাথরের স্তম্ভ নেই। কোন সোনার নকশা নেই। কিন্তু সেই কবরে শুয়ে আছে এমন একটি হৃদয় যে জীবনে শিখেছিল আল্লাহর ভয়শালায় সন্তুষ্ট থাকাটাই সবচেয়ে বড় জ্ঞান।
Get free YouTube transcripts with timestamps, translation, and download options.
Transcript content is sourced from YouTube's auto-generated captions or AI transcription. All video content belongs to the original creators. Terms of Service · DMCA Contact
Browse transcripts generated by our community



















