মানুষ সৃষ্টির রহস্য পর্ব–২ | আদম (আঃ)-এর সন্তানদের কাহিনী | ইসলামিক গল্প | Islamic Bangla Story

ইমানের আলো1,608 words

Full Transcript

জান্নাতের অপার সুখ, চির শান্তি, চির আনন্দ। কিন্তু এই সুখের মাঝেও আদম আলাইহিস সালাম ও হাওয়া আলাইহিস সালামের জন্য ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি [মিউজিক] কঠিন পরীক্ষা। একটি মাত্র গাছের ফল খেতে নিষেধ। আর সেই নিষেধাজ্ঞাকেই অস্ত্র বানাতে প্রস্তুত হচ্ছিল তাদের চিরশত্রু ইবলিশ। গত পর্বে আমরা দেখেছিলাম [মিউজিক] মহান আল্লাহ আদম আলাইহিস সালাম এবং তার স্ত্রী হাওয়া আলাইহিস সালাম কে জান্নাতে থাকার অনুমতি দিলেন। জান্নাতের সব নেয়ামত তাদের জন্য হালাল করা হলেও একটি [মিউজিক] মাত্র গাছের ফল খেতে আল্লাহ নিষেধ করে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তোমরা উভয়ে এই গাছের নিকটবর্তী [মিউজিক] হইও না। নতুবা তোমরা সীমা লঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইয়া যাইবে। এই নির্দেশনার পরই শুরু হয় মানবজাতির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। আর এই অপেক্ষাতেই ছিল অহংকারী ও অভিশপ্ত ইবলিশ। আল্লাহর হুকুম অমান্য করার কারণে ইবলিশ ছিল চরম ক্রোধে উন্মত্ত। কিন্তু সে চাইলেই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারত না। কারণ জান্নাতে প্রবেশদ্বার ছিল ফেরেশতাদের কঠোর পাহারায়। সে আশ্রয় নিল চরম ছলনার। তাফসীর এবং বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে ইবলিশ জান্নাতে প্রবেশের জন্য একটি সাপের সাহায্য নেয়। সে সাপকে প্রলুব্ধ করে এবং তার মুখের ভেতরে লুকিয়ে ফেলে। মনে রাখবেন সেই সময় সাপ ছিল অত্যন্ত সুন্দর একটি প্রাণী। অন্য কোন বর্ণনায় আবার ময়ূরের মাধ্যমে প্রবেশের কথা উল্লেখ রয়েছে। প্রহরীদের চোখ এড়িয়ে সাপ বা ময়ূরের ছদ্মবেশে ইবলিশ অবশেষে জান্নাতের ভেতরে প্রবেশ করতে সক্ষম হল। সে জানতো, আদম আলাইহিস সালাম ও হাওয়া আলাইহিস সালামের সরল মনে মিথ্যা [মিউজিক] বা ছলনার কোন ধারণা নেই। জান্নাতে মিথ্যা বলা অসম্ভব এই বিশ্বাসকেই [মিউজিক] ইবলিশ তার প্রধান অস্ত্রে পরিণত করল। ইবলিশ এবার তাদের কাছে এল এক নম্র সহানুভূতিশীল বন্ধু সেজে। সে ফিসফিস করে বলতে শুরু করল। সে বলল হে আদম আমি কি তোমাদের এমন একটি গাছের সন্ধান দেবো যার ফল খেলে তোমরা চিরকাল বেঁচে থাকতে পারবে এবং এমন এক রাজত্ব লাভ করবে যা কখনো শেষ হবে না আদম ও হাওয়া তার কথায় কান দিলেন না তারা জানতো [মিউজিক] এটা সেই নিষিদ্ধ গাছ যার কাছে যেতে আল্লাহ মানা করেছেন। ইবলিশ যখন দেখল [মিউজিক] সরাসরি লোভে কাজ হচ্ছে না তখন সে তার প্রতারণার জার আরো গভীর করল। সে এবার তাদের আবেগ নিয়ে খেলা শুরু করল। সে কান্নাজড়িত কন্ঠে খুব ভালো মানুষ সেজে বলল, [মিউজিক] তোমরা কি জানো? আল্লাহ কেন তোমাদের ওই গাছের ফল খেতে মানা করেছেন? তারা [মিউজিক] চুপ করে রইলেন। ইবলিশ আবার বলল, তিনি তো তোমাদের এই জন্যই মানা করেছেন। কারণ ওই গাছের ফল খেলে [মিউজিক] তোমরা ফেরেশতা হয়ে যাবে। অথবা তোমরা এই জান্নাতে চিরকাল [মিউজিক] থাকার সুযোগ পেয়ে যাবে। আমি তো শুধু তোমাদের ভালো চাই। তাই এই গোপন কথাটা তোমাদের বলে দিলাম। আদম ও হাওয়া তবুও তার কথা পুরোপুরি বিশ্বাস [মিউজিক] করলেন না। তখন ইবলিশ তার শেষ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রটি ব্যবহার করল। সে আল্লাহর নামে কসম করে বলল, আমি আল্লাহর কসম করে বলছি, আমি সত্যিই তোমাদের একজন শুভাকাঙ্ক্ষী। অবশ্যই এই কথা [মিউজিক] শোনার পর আদম ও হাওয়া আলাইহিমুস সালাম দ্বিধায় পড়ে গেলেন। [মিউজিক] তারা স্মরণ মনের ছিলেন। তাদের ধারণাতেই ছিল না যে কেউ আল্লাহর নামে এমন ভয়ঙ্কর মিথ্যা কসম করতে পারে। শয়তানের বারবার প্রতারণায় তারা আল্লাহর সেই মূল সতর্ক বাণীটি এক মুহূর্তের জন্য ভুলে গেলেন। অবশেষে তারা দুজনেই সেই নিষিদ্ধ গাছের ফল খেয়ে ফেললেন। ফল খাওয়ার সাথে সাথে এক আশ্চর্য এবং লজ্জাজনক ঘটনা ঘটলো। তাদের শরীর থেকে জান্নাতের সেই নূরের পোশাকগুলো খুলে পড়ে গেল এবং তারা একে অপরের সামনে লজ্জিত হয়ে গেলেন। এটাই ছিল মানবজাতির প্রথম লজ্জা এবং প্রথম পাপ। তারা দৌড়ে গিয়ে জান্নাতের গাছের বড় বড় পাতা দিয়ে নিজেদের লজ্জা ঢাকার চেষ্টা করতে লাগলেন। তখন আল্লাহ তাদের ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদের ওই গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি তোমাদের বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু আল্লাহর কন্ঠস্বর শুনে তারা ভয়ে কাঁপতে লাগলেন। তখন তারা দুজনেই নিজেদের ভুল বুঝতে পারলেন। তারা ইবলিশের মত অহংকার করেননি বা নিজেদের ভুলের জন্য কোন অজুহাত দেননি। বরং তারা অনুতপ্ত হয়ে কান্নাকাটি করতে শুরু করলেন। তাদের অন্তর লজ্জায় আর ভয়ে ছেয়ে গেল। আল্লাহ পরম দয়ালু। তিনি দেখলেন তার বান্দারা ভুল করেছে কিন্তু তারা অহংকার করেনি বরং লজ্জিত হয়েছে। তাই তিনি নিজেই তাদের ক্ষমার পথ বাতলে দিলেন। তিনি তাদের সেই ঐতিহাসিক দোয়াটি শিখিয়ে দিলেন যা আজও আমাদের জন্য ক্ষমার অন্যতম সেরা উপায়। তারা দুজনেই [মিউজিক] সিজদায় লুটিয়ে পড়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে দোয়া করলেন রব্বানালাম আমফুসানালাম অর্থাৎ হে আমাদের রব আমরা তো নিজেদের উপর জুলুম করে ফেলেছি যদি আপনি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং দয়া না করেন তাহলে আমরা তো ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে [সশব্দ হাসি] যাব। আল্লাহ তাদের তওবা [মিউজিক] কবুল করলেন এবং তাদের ক্ষমা করে দিলেন। আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দিলেও জান্নাতে বসবাসের [মিউজিক] পরীক্ষা শেষ হয়েছিল। পৃথিবীতে আল্লাহর প্রতিনিধি পাঠানোর যে মূল উদ্দেশ্য ছিল এখন তার সময় এসে গিয়েছিল। [মিউজিক] আল্লাহ বললেন, এবার তোমরা পৃথিবীতে নেমে যাও। পৃথিবী হবে তোমাদের নতুন ঘর এবং তোমাদের সন্তানদের জন্য পরীক্ষাত্র। সেখানে তোমরা একে অপরের অর্থাৎ মানবজাতীয় ও শয়তানের বংশধর হিসেবে বসবাস করবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোমাদের সেখানে থাকতে হবে। সেখানেই তোমরা জীবনযাপন করবে। সেখানেই মৃত্যুবরণ করবে এবং সেখান থেকেই তোমাদের আবার পুনরুত্থিত করা হবে। এই ঘোষণার পর হযরত আদম আলাইহিস সালাম এবং হাওয়া আলাইহিস সালাম জান্নাত থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করলেন। বর্ণনায় এসেছে আদম আলাইহিস সালামকে নামানো হয়েছিল শ্রীলংকার এক পাহাড়ে এবং হাওয়া আলাইহিস সালামকে নামানো হয়েছিল জেদ্দায়। তারা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তারা একা একা কান্নাকাটি করতে লাগলেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলেন। অবশেষে আল্লাহর দয়ায় আরাফাতের ময়দানে তাদের দুজনের পুনর্মিলন ঘটে। আর এভাবেই পৃথিবীতে শুরু হলো মানবজাতির এক নতুন অধ্যায়। এক নতুন পরীক্ষা। যে পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আজও আমরা সবাই দীর্ঘযাত্রা [মিউজিক] করছি। জান্নাতের অফুরন্ত সুখের পর পৃথিবীতে হযরত আদম আলাইহিস সালাম ও হাওয়া আলাইহিস সালামের জীবন ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে ছিল ক্ষুধা মেটানোর জন্য পরিশ্রম করার সংগ্রাম। বসবাসের জন্য ঘর তৈরীর চিন্তা এবং সর্বোপরি তাদের [মিউজিক] চিরশত্রু ইবলিশের কুমন্ত্রণা থেকে নিজেদের ঈমানকে রক্ষা করার এক নিরন্তর পরীক্ষা। আল্লাহ তাদের একা ছেড়ে দেননি। তিনি হযরত আদম আলাইহিস সালামকে নবী হিসেবে মনোনীত করেন এবং জিব্রাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে তাকে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান বিজ্ঞান শিখিয়ে দেন। তিনি শিখলেন কিভাবে চাষাবাদ করতে হয়, কিভাবে আগুন জ্বালাতে হয় এবং কিভাবে পশু পালন করতে হয়। ধীরে ধীরে তারা পৃথিবীর জীবনের সাথে নিজেদের মানিয়ে নিলেন। আল্লাহ তাদের দুজনকে সন্তান দান করলেন। হযরত হাওয়া আলাইহিস সালাম প্রতিবার একটি ছেলে এবং একটি মেয়েসহ জোড়া সন্তান জন্ম দিতেন। তখনকার নিয়ম অনুযায়ী এক গর্ভের বোনের সাথে অন্য গর্ভের ভাইয়ের বিয়ে দেওয়া হতো। তাদের সন্তানদের মধ্য থেকেই পৃথিবীতে শুরু হলো মানবজাতির প্রথম পরীক্ষা। হিংসা এবং অহংকারের পরীক্ষা। আদম আলাইহিস সালামের দুই পুত্র ছিল কাবিল এবং হাবিল। কাবিল ছিল কৃষক এবং স্বভাবতই কিছুটা অহংকারী এবং বদমেজাজি। আর হাবিল ছিল পশু পালনকারী এবং সে ছিল অত্যন্ত সৎ, বিনয়ী এবং আল্লাহভীর। বিয়ের সময় যখন এল তখন নিয়ম অনুযায়ী কাবিলের জমজ বোনের সাথে হাবিলের এবং হাবিলের জমজ বোনের সাথে কাবিলের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কাবিলের জমজ বোন অনেক বেশি সুন্দরী ছিল। তাই কাবিল তাকেই বিয়ে করতে চাইল। যা ছিল তখনকার নিয়মের হারাম। এই নিয়ে যখন তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিল তখন হযরত আদম আলাইহিস সালাম একটি সমাধান দিলেন। তিনি বললেন, তোমরা দুজনেই আল্লাহর জন্য নিজ নিজ সম্পদ থেকে কুরবানি পেশ করো। যার কুরবানি আল্লাহ কবুল করবেন সেই সঠিক। তখনকার দিনে কুরবানি কবুল হওয়ার নিয়ম ছিল আকাশ থেকে একটি আগুন এসে কবুল হওয়া কুরবানীটিকে জ্বালিয়ে দিয়ে যেত। হাবিল যে ছিল [মিউজিক] আল্লাহ ভিরু সে তার সবচেয়ে বেশি মোটাতাজা একটি দুম্বা আল্লাহর জন্য কুরবানী করল। আর কাবিল যার অন্তরে ছিল লোভ আর অহংকার সে তার সবচেয়ে খারাপ এবং নষ্ট ফসলের একটি অংশ কুরবানির জন্য পেশ করল। কিছুক্ষণ পর আকাশ থেকে একটি আগুন নেমে এল এবং হাবিলের কুরবানীটিকে জ্বালিয়ে দিয়ে গেল। আর কাবিলের কুরবানীটি যেমন ছিল তেমনি পড়ে রইল। এর মাধ্যমে আল্লাহ স্পষ্ট করে দিলেন যে তিনি হাবিলের ওপরেই সন্তুষ্ট। এই ঘটনায় কাবিলের অন্তরে থাকা হিংসার আগুন আরো দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল। সে তার ভাইকে সহ্য করতে পারছিল না। শয়তান যে এতদিন ধরে সুযোগের অপেক্ষায় ছিল সে কাবিলের মনে কুমন্ত্রণা দিতে শুরু করল। সে তাকে বোঝাতে লাগলো, হাবিল বেঁচে থাকলে তুমি সবসময় ছোট হয়ে থাকবে। তাকে সরিয়ে দাও। তাহলেই সব তোমার হয়ে যাবে। হিংসার অহংকারে অন্ধ হয়ে কাবিল তার ভাইয়ের কাছে গিয়ে বলল, আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করব। হাবিল তার ভাইয়ের ভয়ঙ্কর রূপ দেখেও অত্যন্ত শান্ত এবং নরম সুরে উত্তর দিল, তুমি আমাকে হত্যা করার জন্য হাত বাড়ালেও আমি তোমাকে হত্যা করার জন্য হাত বাড়াবো না। আমি তো বিশ্বজগতের রব আল্লাহকে ভয় করি। আল্লাহ তো শুধু মুত্তাকী বা আল্লাহ ভীরুদের কুরবানি কবুল করেন। কিন্তু কাবিলের মাথায় তখন রক্ত চড়ে গেছে। একদিন যখন হাবিল মাঠে একাকি ছিল। তখন কাবিল পেছন থেকে গিয়ে একটি ভারী পাথর দিয়ে তার ভাইয়ের মাথায় সজোরে আঘাত করল। রক্তাক্ত অবস্থায় হাবিল মাটিতে লুটিয়ে পড়ল এবং মৃত্যুবরণ করল। এভাবেই সংঘটিত হলো মানব ইতিহাসের প্রথম হত্যাকাণ্ড। ভাইয়ের হাতে ভাইয়ের রক্ত। শয়তান তার প্রথম বিজয় লাভ করল। নিজের ভাইকে হত্যা করার পর কাবিলের হুশ ফিরল। সে তার ভাইয়ের নিষ্প্রাণ দেহের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল সে কত বড় অন্যায় করে ফেলেছে। কিন্তু এখন আর কিছুই করার নেই। সে তার ভাইয়ের লাশ নিয়ে এদিক ওদিক ঘুরতে লাগল। বুঝতে পারছিল না যে এই মৃতদেহ নিয়ে সে কি করবে। তখন আল্লাহ দুটি কাককে পাঠালেন। একটি কাক আরেকটি মৃত কাককে মাটি খুরে কবর দিচ্ছিল। এই দৃশ্য দেখে কাবিল শিখল কিভাবে মৃতদেহকে দাফন করতে হয়। সে তখন আফসোস করে বলতে লাগলো, হায় আমি কি এই কাকটির মত হতে পারলাম না যে আমার ভাইয়ের মৃতদেহটি দাফন করতে পারি? এরপর হযরত আদম ও হাওয়া আলাইহিস সালাম তাদের এক সন্তানের মৃত্যু এবং অন্য সন্তানের পাপের কারণে প্রচন্ড কষ্ট পেলেন। আল্লাহ তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য শীস আলাইহিস সালাম নামে আরো একজন পুত্র সন্তান দান করলেন যাকে পরবর্তীতে নবী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল। ধীরে ধীরে হযরত আদম আলাইহিস সালামের বংশধরদের মাধ্যমে মানবজাতি পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করল। হযরত আদম আলাইহিস সালাম প্রায় হাজার বছর বেঁচে ছিলেন এবং তার সন্তানদের ও নাতিনাতনীদের আল্লাহর পথে চলার জন্য উপদেশ দিতেন। [মিউজিক] হযরত আদম আলাইহিস সালামের জীবন ছিল মানবজাতির জন্য এক বিশাল শিক্ষা। তার কাহিনী আমাদের শেখায় অহংকারের পতন, ইবলিশের ঘটনা, ভুলের পর অনুতপ্ত হওয়ার গুরুত্ব, জান্নাতের ঘটনা, হিংসার ভয়ঙ্কর পরিণতি এবং সর্বোপরি আল্লাহর অসীম ক্ষমা ও দয়ার কথা। তিনি ছিলেন আমাদের আদি পিতা, প্রথম মানুষ [মিউজিক] এবং প্রথম নবী। তার মধ্য দিয়েই পৃথিবীতে শুরু হয়েছিল আল্লাহর খিলাফত এবং মানবজাতির এক দীর্ঘ ও পরীক্ষাময় যাত্রা।

Need a transcript for another video?

Get free YouTube transcripts with timestamps, translation, and download options.

Transcript content is sourced from YouTube's auto-generated captions or AI transcription. All video content belongs to the original creators. Terms of Service · DMCA Contact

মানুষ সৃষ্টির রহস্য পর্ব–২ | আদম (আঃ)-এর সন্তানদের কাহিনী...