মা ফাতিমা ও এক ভিখারির ঘটনা | হযরত ফাতিমা রাঃ এর জীবনী | ইসলামিক কাহিনী |

দ্বীনের আলোঘর3,040 words

Full Transcript

একদিন আল্লাহর প্রিয় রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী ও জামাতা হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু দাওয়াতি কাজ শেষে বাড়ির পথে হাঁটতেছিলেন। ওই পথ দিয়ে যখন তিনি হাঁটতেছিলেন তখন হঠাৎ করে খেয়াল করে দেখলেন রাস্তার একপাশে একটি ফকির শুয়ে আছে। ফকিরটি প্রচন্ড দুর্বল এবং জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় রাস্তার পাশে শুয়ে আছে। আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার কাছে গেলেন এবং তাকে সালাম দিলেন। [মিউজিক] কিন্তু সেই ফকির সালামের কোন উত্তর দিলেন না। আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু অত্যন্ত অবাক হয়ে তাকে বললেন, আপনি কি জানেন না কেউ যদি সালাম প্রদান করে সেই সালামের জবাব দিতে হয়। হযরত আলীর এই কথা শোনার পর ফকির প্রচন্ড রেগে গেলেন এবং রেগে গিয়ে হযরত আলীকে বললেন, কে আপনি? আমাকে সালাম দিয়ে কি হবে? সালাম না দিয়ে যদি পারেন আমাকে একটু খাবার দিয়ে সহযোগিতা করুন। আজ পাঁচ দিন ধরে আমি কিছুই খাই না। ক্ষুধার যন্ত্রণায় আমি জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় এখানে পড়ে আছি। ফকিরের এই রাগান্বিত কথা শুনে হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর মনেও কিছুটা রাগ চলে আসলো। কিন্তু তখনই হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর মনে পড়ল কোরআনের সেই আয়াতের কথা। তানহার আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন তোমরা ফকির মিসকিনের সঙ্গে ধমক দিয়ে [মিউজিক] কিংবা রাগান্বিত হয়ে কথা বলবে না। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার রাগ নিয়ন্ত্রণ করলেন এবং কোমল সুরে সেই ফকিরকে বললেন আমার কাছে তো এখন কোন খাবার নেই। আমি দাওয়াতি কাজ শেষ করে বাড়ির দিকে যাচ্ছি। একটু দূরেই আমার বাড়ি। আপনি যদি খাবার পেতে চান তাহলে আমার সঙ্গে আমার বাড়িতে চলুন। আমার বাড়িতে গেলে হয়তো বা আমি আপনাকে কিছু খাবার দিতে পারব। ফকির বলল আমি প্রচন্ড দুর্বল ক্ষুধার যন্ত্রণা আমাকে এতটাই কাবু করেছে যে আমি উঠে দাঁড়াতেও পারছি না আমি কিভাবে আপনার সঙ্গে আপনার বাড়ি পর্যন্ত হেঁটে যাব আপনার বাড়িতে আমি যেতে পারি যদি আপনি আমাকে কাঁধে করে নিয়ে যান অতঃপর হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু ফকিরকে কাঁধে নিলেন এবং কাঁধে নিয়ে বাড়ির দিকে হাঁটতে শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পর হযরত আলী বাড়িতে পৌঁছালেন এবং বাড়ির উঠানে সেই ফকিরকে শুইয়ে রাখলেন। তারপর ঘরের দরজায় গিয়ে সালাম দিলেন। আসসালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল বাইত। ঘরের ভেতরে হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা এবং হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুমা অবস্থান করছিলেন। [মিউজিক] হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহাও ক্ষুদার যন্ত্রণায় অনেক দুর্বল হয়ে গিয়েছিলেন। কেননা গত তিনদিন ধরে ফাতেমার চুলায়ও কোন আগুন জ্বলে না। ফাতেমা যখনই তার স্বামীর কন্ঠের আওয়াজ শুনলেন তিনি দুর্বল অবস্থায় ধীরে ধীরে উঠে এসে তার স্বামীর জন্য দরজা খুলে দিলেন। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু ঘরের ভিতর প্রবেশ করে দেখলেন ফাতেমা অনেক দুর্বল। ফাতেমার চোখগুলো গর্তের ভিতরে সামান্য ঢুকে গিয়েছে। ফাতেমার চোখে মুখে বিরক্তি আর ক্ষুধার ছাপ। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু জিজ্ঞেস করলেন ফাতেমা কি হয়েছে? ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বললেন, আজ কয়েকদিন আগেই আপনি দাওয়াতি কাজে চলে গিয়েছেন। গত তিনদিন ধরে আমাদের ঘরে কোন খাবার নেই। বাচ্চা দুটো অনাহারে আছে। তারা ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। ফাতেমার এই কথা শোনার পর হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুর মাথার উপর যেন আসমান ভেঙে পড়ল। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বললেন আমি রাস্তা থেকে একজন ক্ষুধার্থ ফকিরকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছি এবং তাকে এই আশ্বাস দিয়েছি যে আমার বাড়িতে আসলে আমি তাকে খাবার দিতে পারব এখন তো ঘরে কোন প্রকার খাবার নেই আমি সেই ফকিরকে কোথা থেকে খাবার দিব হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু আর দেরি করলেন না তিনি জায়নামাজ বিছিয়ে চার রাকাত সালাতুল হাজত আদায় করে নিলেন। অতঃপর আলী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু আল্লাহর দরবারে বললেন, তুমি তো রাহমান, তুমি তো রাহিম, তুমি তো মেহেরবান, তুমি চাইলে সবই সম্ভব। একজন ফকিরকে আমি মেহমান করে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। এখন যদি তাকে খাবার দিতে না পারি তাহলে তার সামনে আমি লজ্জিত হবো। ইয়া রাব্বুল আলামীন তুমি আমার সম্মান রক্ষা করো। আমাকে সাহায্য করো। আমি আমার ক্ষুধার্থ স্ত্রীর জন্য খাবার চাই না। আমার ক্ষুধার্থ সন্তানদের জন্য খাবার চাই না। আমি শুধু সেই ফকিরকে দেবার জন্য তোমার দরবারে খাবার চাই। তুমি দয়া করে আমাকে সাহায্য করো। তোমার রহম দিয়ে আমাকে পরিপূর্ণ করো। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর এই দোয়া আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আরশে পৌঁছে গেল। সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জান্নাত থেকে এক টোপলা খাবার পাঠালেন। একজন অদৃশ্য ফেরেশতা এসে হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর সামনে জান্নাতি খাবারের সেই টোপলা রাখলেন। অতঃপর আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু মোনাজাত শেষ করে যখন খাবারের টোপলা দেখলেন তিনি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে শুকরিয়া আদায় করতে লাগলেন। মা ফাতেমার ঘরে জান্নাতি খাবারের টোপলা চতুর্দিক থেকে যেন জান্নাতি ঘ্রাণ বের হচ্ছে। পাশের কক্ষ থেকে হযরত হাসান এবং হোসাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু খাবারের ঘ্রাণ পেয়ে ছুটে আসলেন এই কক্ষে। হযরত হাসান এবং হোসাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এক দৌড়ে এসে হযরত আলী কে জড়িয়ে ধরলেন হযরত হাসান বলতে লাগলেন আব্বাজান গত তিনদিন ধরে আমরা কিছুই খাইনি হযরত হোসাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হাসানকে বললেন ভাই আমার কাছে মায়ের চেয়ে আমার বাবাই অনেক ভালো কেননা গত তিনদিন ধরে মায়ের কাছে কতবার খাবার চাইলাম মা একবারও আমাদের একটুও খাবার দিল না আর দেখো না বাবা আমাদের জন্য কত খাবার নিয়ে এসেছে হোসাইনের এই কথা শুনে মা ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা মুচকি হাসলেন। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সকলের উদ্দেশ্যে বললেন, এই খাবার তোমাদের জন্য না, বাহিরে একজন ফকির অপেক্ষা করছে এবং আমি তাকে খাবার দেবো বলে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছ থেকে খাবার চেয়ে নিয়ে এসেছি। হযরত আলীর এমন কথার পর হোসাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হযরত আলীর দুটি পা জড়িয়ে ধরলেন এবং চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেন, "আব্বাজান, আমরা তিনদিন ধরে প্রচন্ড ক্ষুধার্থ এবং তৃষ্ণার্ত, আপনি আমাদেরকে খাবার দিন। আমরা খেয়ে আমাদের ক্ষুধা নিবারণ করি। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু অনেক বড় একটি পরীক্ষার সম্মুখীন হলেন। একদিকে তার স্ত্রী এবং সন্তান অনাহারে অন্যদিকে সেই [মিউজিক] ভিক্ষুকও অনাহারে আছেন এবং ভিক্ষুককে কথা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে এসেছেন। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এই সামান্য খাবারটুকু এখন কাকে দিবেন? হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু দুই দিকের কথা চিন্তা করে পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে আছেন। এমন সময় হযরত আলীর মনে পড়লো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনুল কারীমে বলেছেন, নিশ্চয় সম্পদ এবং সন্তান হবে ফেতনার মূল কারণ। পবিত্র কুরআনের এই আয়াত মনে পড়ার পর হযরত আলী সিদ্ধান্ত নিলেন [মিউজিক] এই খাবারের একমাত্র হকদার ফকির। অতএব সেই ফকিরকেই এই খাবার দিতে হবে। হযরত আলী এবার বাম হাত দিয়ে হোসাইনকে এক ঝটকায় দূরে ফেলে দিলেন। তারপর ঘর থেকে বের হলেন ভিক্ষুককে খাবার দেওয়ার জন্য। হযরত আলী ঘর থেকে যখনই বের হলেন তিনি এক অবাক দৃশ্য দেখলেন। [মিউজিক] তিনি দেখলেন ভিক্ষুক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসছে। যে ভিক্ষুক রাস্তার পাশে জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় পড়েছিল তাকে কাঁধে করে বাড়িতে নিয়ে আসতে হয়েছে সেই ভিক্ষুক এখন উঠে দাঁড়িয়েছে এবং আলীর দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু কিছু বলার আগেই ভিক্ষুক বলল, ওয়ালাইকুম আসসালাম। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বললেন, কে আপনি? একটু আগেই তো আপনি রাস্তায় জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় পড়েছিলেন। আপনি এতটাই দুর্বল ছিলেন যে আপনাকে কাঁধে করে আমি এখানে নিয়ে এসেছি। আর এখন আপনি উঠে দাঁড়িয়েছেন এবং মুচকি হাঁসছেন। আর আপনাকে সালাম দিয়েছিলাম কবে? সেই সালামের জবাব আপনি এখন দিলেন সেই ফকির তখন বলল হে আসাদুল্লাহিল গালিব হযরত আলী আমি আর কেউ নই। আমি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের রহমতের ফেরেশতা। আমি আপনাকে পরীক্ষা করার জন্য এত কিছু করেছি। নবীর সাহাবীদের মধ্যে আপনি এমন একজন ব্যক্তি। আপনি একসঙ্গে এতগুলো ডিগ্রি অর্জন করেছেন নবীর আর অন্য কোন সাহাবী অর্জন করতে পারেনি। একদিকে আপনি আসাদুল্লাহিল গালিব কাফেরদের জন্য সিংহ অন্যদিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমি হলাম জ্ঞানের রাজ্য। আর সেই রাজ্যে প্রবেশের দরজা হলো হযরত আলী। অন্যদিকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে প্রচন্ড শক্তি দান করেছেন। এই যুগের শ্রেষ্ঠ বীর পালোয়ান আপনি। অন্যদিকে খাতুনে জান্নাত যিনি জান্নাতি মহিলাদের সর্দারনী হবেন। তার স্বামী আপনি। অন্যদিকে হাসান হোসেন যারা জান্নাতি যুবকদের সর্দার হবে তাদের পিতা আপনি। অন্যদিকে আশারাতুল মুবাশশারা সদস্য আপনি। জান্নাতি 10 [মিউজিক] জন সুসংবাদ প্রাপ্ত ব্যক্তির চার নম্বরে রয়েছেন আপনি। আপনি একমাত্র সাহাবী, যিনি এতগুলো গুণে গুণান্বিত হয়েছেন। আপনার প্রতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রাজি খুশি হয়ে আপনাকে এতগুলো গুণে গুণান্বিত করেছেন। এই খাবারের একমাত্র হকদার হলো আপনার পরিবারের সদস্যগণ। আপনি তাদেরকে এই খাবার প্রদান করুন। অন্য আরেকদিনের ঘটনা। একজন উদ্ভট এবং বিকৃত চেহারার ফকির সালমান ফারসী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুকে [মিউজিক] সঙ্গে নিয়ে মা ফাতেমার বাড়িতে এসেছেন। হযরত সালমান ফারসী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ফাতেমার দরজায় গিয়ে সালাম দিলেন। আসসালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল বাইত হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা পর্দার অন্তরাল থেকে সালামের উত্তর দিলেন এবং বললেন, কে আপনি? সালমান ফারসী রাদিয়াল্লাহু [মিউজিক] তাআলা আনহু বললেন, আপনার পিতা আল্লাহর পয়গম্বর আমাকে পাঠিয়েছে। আমার সাথে একজন ভিক্ষুক আছে। এই ভিক্ষুক আপনার পিতার কাছে গিয়েছিল। কিন্তু আপনার পিতার কাছে কিছুই নেই ভিক্ষা দেবার [মিউজিক] মতো। এজন্য এই ভিক্ষুককে আপনার বাড়িতে পাঠিয়েছেন এবং আপনার পিতা বলেছেন আপনি যেন এই ভিক্ষুককে কিছু দিয়ে সাহায্য করেন। হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বললেন আমার ঘরে তো তেমন কিছুই নেই। এই ভিক্ষুককে আমি কি দিয়ে সাহায্য করব? তবে হ্যাঁ আমার পছন্দের একটি চাদর আছে। আমি এই চাদরটি আপনাকে দিচ্ছি। আপনি এই চাদরটি ইহুদির বাড়িতে বন্ধক রেখে সেখান থেকে যে অর্থ পাবেন সে অর্থগুলো এই ভিক্ষুককে দিয়ে দিবেন। হযরত সালমান ফারসী সেই চাদরটি নিয়ে ইহুদীর বাড়িতে গেলেন এবং ইহুদিকে বললেন এই চাদরটি বন্ধক নেন। ইহুদী চাদরটি হাতে নিয়ে অত্যন্ত চমকে গেলেন। ইহুদি জিজ্ঞেস করলেন এই চাদরটি কার? সালমান ফারসী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বললেন, এই চাদরটি আমাদের বিশ্বনবীর মেয়ে ফাতিমার চাদর। ইহুদি চাদরটি নিয়ে ঘরের ভিতর প্রবেশ করলেন এবং অনেকক্ষণ সময় পর ইহুদী ফিরে এল। হযরত সালমান ফারসী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু খেয়াল করে দেখলেন ইহুদির মাথা বেয়ে টপটপ করে পাড়ি পড়ছে। মনে হচ্ছে ইহুদি গোসল করে এসেছেন। সালমান ফারসী তাকে জিজ্ঞেস করলেন আপনি তো অনেক আগেই ঘরের ভিতর ঢুকেছেন। এতক্ষণ পর ফিরে এলেন। কই চাদরের বন্ধকৃত অর্থ নিয়ে এসেছেন? ইহুদি বলল এই নাও চাদরের বন্ধকৃত অর্থ আর আমাকে এক্ষুনি তোমাদের নবীর দরবারে নিয়ে চলো। আমি কালেমা পড়ে মুসলমান হতে চাই। আমি আমার কিতাব তাওরাতে পড়েছি। আখেরি জামানার শেষ পয়গম্বর যিনি হবেন তার বাড়িতে একদিন ফকির আসবে এবং সেই ফকিরকে ভিক্ষা দেয়ার [মিউজিক] মত কোন কিছুই থাকবে না আখেরি জামানার শেষ পয়গম্বর সেই ভিক্ষুককে পাঠাবেন তার কন্যা ফাতেমার ঘরে কিন্তু ফাতেমার ঘরেও ভিক্ষা দেয়ার মত তেমন কিছুই নেই অবশেষে ফাতেমা তার শরীরের একটি চাদর বন্ধক রেখে সেই ফকিরকে ভিক্ষা দিবেন তুমি যখন বললে এই চাদরটি বিশ্বনবীর মেয়ে ফাতেমার চাদর তখনই আমি আমার তাওরাতের ভবিষ্যৎবাণীর সত্যতার প্রমাণ পেয়েছি তোমরা যাকে নবী বলে মানো এই নবী আখেরি জামানার শেষ নবী তার সম্পর্কে তাওরাতে যতগুলো ভবিষ্যৎবাণী ছিল সকল ভবিষ্যৎবাণীর সত্যতা [মিউজিক] আমি ইতিপূর্বেই পেয়েছি। শুধু এই একটি সত্যতার অপেক্ষায় আমি ছিলাম। আমি আর দেরি করতে চাই না। আমাকে এক্ষুনি তোমাদের নবীর দরবারে নিয়ে চলো। আমি [মিউজিক] মুসলমান হতে চাই। মদিনার বাগানগুলোর মধ্যে এক ইয়াতিম ছেলের একটি বাগান ছিল। তার বাগানের সাথে লাগোয়া বাগানের মালিক ছিলেন আবু লুবাবা নামের এক লোক। সেই ইয়াতিম ছেলেটি নিজের বাগান বরাবর একটি প্রাচীর দিতে গিয়ে দেখল প্রতিবেশীর একটি খেজুর গাছ সীমানার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। ছেলেটি তার প্রতিবেশীর কাছে গিয়ে সমস্যার কথা বলে সীমানার খেজুর গাছটি কিনতে চাইল। যাতে প্রাচীরটি সোজা হয়। কিন্তু প্রতিবেশী আবু লুবাবা কোনভাবেই রাজি হচ্ছিল না। কোন উপায় না পেয়ে সেই ইয়াতিম ছেলেটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে পুরো ঘটনা বুঝিয়ে বলল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডেকে পাঠালেন আবু লুবাবাকে। সে মসজিদে নববীতে আসলে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই খেজুর গাছটি অর্থের বিনিময় হলেও ইয়াতিম ছেলেটিকে দিয়ে দিতে অনুরোধ করলেন। কিন্তু আবু লুবাবা যথারীতি রাজি হলো না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ পর্যায়ে তাকে বললেন, তোমার ভাইকে ওই খেজুর গাছটি দিয়ে দাও। আমি তোমার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছের জিম্মাদার হব। বিশ্বয়কর হলো সত্য যে আবু লুবাবা তারপরেও সেই খেজুর গাছ দিতে রাজি হলো না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ পর্যায়ে চুপ হয়ে গেলেন। এর চেয়ে বেশি তিনি তাকে আর কি বলতে পারেন? উপস্থিত সাহাবীদের মধ্যে সাবিত রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ছিলেন। তিনি আবু দাহদা নামে পরিচিত ছিলেন। মদিনায় তার খুব সুন্দর একটি বাগান ছিল। প্রায় 600 খেজুর গাছ ছাড়াও একটি মনোরম বাড়ি ও একটি পানির কুয়া ছিল সেখানে। মদিনার সব বড় ব্যবসায়ীদের কাছে আবু দাহদা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর বাগানটি সুপরিচিত ছিল। তিনি সপরিবারে সেখানে বসবাসও করতেন। আবু দাহদা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হঠাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমি যদি আবু লুবাবার কাছ থেকে খেজুর গাছটি কিনে এই এতিমকে দিয়ে দিই, তাহলে আমিও কি জান্নাতে একটি খেজুর গাছের মালিক হব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ, তোমার জন্য জান্নাতে খেজুর গাছ থাকবে। আবু দাহদা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সাথে সাথে আবু লুবাবাকে বললেন, আপনি আমার সেই সম্পূর্ণ বাগানটি গ্রহণ করে সেই খেজুর গাছটি আমাকে দিয়ে দিন। আবু লুবাবা দুনিয়াবী এই বিনিময়ে বিশ্বাস করতে পারছিল না। হুশ ফিরলে সে বলল, হ্যাঁ। আমি আপনার খেজুর গাছের বাগানটি গ্রহণ করলাম। বিনিময়ে আমার সেই খেজুর গাছটি আপনাকে দিয়ে দিলাম। হযরত আবু দাহদা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সেই মুহূর্তে খেজুর গাছটি ইয়াতিম ছেলেটিকে উপহার হিসেবে দিয়ে দিলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে তাকিয়ে বললেন, হে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, এখন আমি কি জান্নাতে একটি খেজুর গাছের মালিক হলাম? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবু দাহাদার জন্য জান্নাতে এখন কত বিশাল বিশাল খেজুরের বাগান অপেক্ষা করছে। [মিউজিক] বর্ণনাকারী হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেন, এ কথাটি রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক, দুই বা তিনবার বলেননি, বরং খুশি হয়ে বারবার বলেছেন, শেষে আবু দাহেদা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সেখান থেকে বের হয়ে সদ্য বিক্রি করে দেয়া সেই বাগানে ফিরে গেলেন, বাড়ির দরজায় এসে স্ত্রীকে ডাক দিলেন তিনি, "হে উম্মে দাহদা, বাচ্চাদেরকে নিয়ে বাগান থেকে বের হয়ে আসো, আমি দুনিয়ার এই বাগান বিক্রি করে দিয়েছি। তার স্ত্রী বললেন আপনি কার কাছে এটি বিক্রি করেছেন? [মিউজিক] কে কত দাম দিয়ে এটি কিনে নিয়েছে? আবু দাহদা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বললেন আমি জান্নাতে একটি খেজুর বাগানের বিনিময়ে তা বিক্রি [মিউজিক] করে দিয়েছি। তার স্ত্রী বললেন আল্লাহু আকবার হে আবু দাহদা আপনি অবশ্যই অত্যন্ত লাভজনক [মিউজিক] একটি ব্যবসা করেছেন। হযরত তামিম আতী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন একবার আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে হাজির হলাম। তখন আমরা দেখতে পেলাম যে একটি উট দৌড়াতে দৌড়াতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার কাছে এসে দাঁড়িয়ে গেল। দেখে মনে হচ্ছিল উটটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কানে কানে কিছু একটা বলছে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন উটকে উদ্দেশ্য করে বললেন, উট তুমি শান্ত হও। যদি তুমি সত্যবাদী হও তাহলে তোমার সত্য কথা তোমাকে ফায়দা দেবে। কিন্তু তুমি [মিউজিক] যদি মিথ্যা বলে থাকো তবে তোমাকে মিথ্যা কথা বলার জন্য শাস্তি দেয়া হবে। নিশ্চয়ই যে আমার নিকটে আশ্রয় নেবে আল্লাহ তাআলাও তাকে নিরাপত্তা দান করেন আর যে আমার নিকট আশ্রয় নেয় তাকে আল্লাহ কখনো নিঃস্ব হতে দেন না সাহাবী তামিম আদারী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এরশাদ করেন আমরা বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই উট আপনাকে কি বলছে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন এটা আমাকে বলছে যে তার মালিক তাকে [মিউজিক] জবেহ করে তার মাংস খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাই সে তার মালিকের কাছ থেকে পালিয়ে এসেছে এবং এখানে সে আমার নিকট সাহায্য চাইছে তামিমা আদ্দারী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বললেন অতঃপর আমরা নিজেদের গল্পে ব্যস্ত হয়ে গেলাম। হঠাৎ সেই সময় উটের মালিক আমাদের নিকট ছুটে আসলো। সেই উট যখন তার মালিককে আসতে দেখলো তখন সে পুনরায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে দাঁড়ালো এবং ঠিক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরাবর পেছনে লুকানোর চেষ্টা করল। উটের মালিক বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমার এই উট তিনদিন আগে আমার কাছ থেকে পালিয়ে গেছে। আর আজকে আমি একে আপনার কাছে পেয়েছি। এ কথা শুনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন এই উটি আমার নিকটে নালিশ জানিয়েছে সে আমাকে বলছে যে তোমার কাছে অনেক বছর ধরে লালিত পালিত হয়েছে বড় হয়েছে যখন প্রচন্ড গরমের সময় আসে তুমি তখন তার পিঠে চড়ে ঘাস এবং চারণভূমির এলাকায় যেতে আর যখন শীতের সময় আসতো তখন তুমি তার পিঠে সওয়ার হয়ে গরম এলাকার দিকে সফর করতে। আর এখন যখন সে বার্ধক্যে উপনীত হয়েছে তখন তুমি তাকে জবেহ করে তার মাংস খাওয়ার পরিকল্পনা করেছো। উটটির মালিক বলল, ইয়া রাসূল আল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ঘটনা ঠিক তেমনি যেমনটা আপনি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, উটটি আপনাকে সব জানালো কিভাবে? এই কথা শুনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আচ্ছা বলতো একজন অনুগত একনিষ্ঠ খাদেমের তার মালিকের [মিউজিক] প্রতি খেদমতের প্রতিদান কি? এটাই পাওয়া উচিত। উটের মালিক বলল, হে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, এখন আমি একে বিক্রি করবো না। একে জবেহ করবো না। আপনি যা অনুমতি দেবেন আমি তাই করব। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই উটের মালিকের কাছ থেকে উটটিকে 100 দিরহামের বিনিময়ে কিনে নিলেন। তারপর তিনি উটটিকে বললেন হে উট যাও এখন থেকে তুমি মুক্ত। আল্লাহ তাআলা দেওয়া রিজিক তালাশ করো। অথচ সেই উটটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাথার কাছে নিজের মুখ এগিয়ে নিয়ে মুখ দিয়ে আওয়াজ করল। যা শুনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমিন আমিন। এরপর উটটি পুনরায় দোয়া করলো। আল্লাহর রাসূল আবারও বললেন আমিন আমিন। উটটি পুনরায় দোয়া করল। আল্লাহর রাসূল তৃতীয়বারের মতো বললেন আমিন আমিন। কিন্তু উটটি যখন চতুর্থবার একটি শব্দ করলো তখন আল্লাহর রাসূল আমিন তো বললেনই না বরং আবেগ ভ্রমণ হয়ে কাঁদতে শুরু করলেন এবং বলতে লাগলেন হায় আমার উম্মত, হায় আমার উম্মত। এমনকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চোখ থেকে অশ্রু বের হতে লাগলো। সাহাবী তামিম আধারী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বললেন, আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, হে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, এই উট আপনাকে কি বলছে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, উটটি আমাকে প্রথমবার বলছে, হে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আল্লাহ আপনাকে ইসলাম এবং কোরআনের মাধ্যমে উত্তম প্রতিদান [মিউজিক] দান করবেন। আমি বললাম আমিন। তারপরে আমাকে বলল আল্লাহ তাআলা যেন কিয়ামতের দিন আপনার উম্মতের অন্তর থেকে সমস্ত ভয়-ভীতি এমনভাবে দূর করে দেন যেমনভাবে আজকে আপনি আমার অন্তর থেকে ভয়কে দূর করে দিলেন। আমি বললাম আমিন। তারপর সে দোয়া করল আল্লাহতালা যেন আপনার উম্মতের রক্তকে শত্রুদের হাত থেকে এমনভাবে হেফাজতে রাখেন যেমন করে আজকে আপনি আমার রক্তকে হেফাজত করেছেন। এরপর সে পুনরায় বলল আল্লাহুম্মা আমিন আল্লাহ যেন তাই করে। এরপর চতুর্থবার উটটি বলল আল্লাহ তাআলা যেন আপনার উম্মতকে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া ফ্যাসাদনা যুদ্ধ বিগ্রহ এসব থেকে হেফাজত করেন এ কথা শুনে আমিন বলতে যাব কিন্তু [মিউজিক] সেই দোয়াটি কবুল হবে না আল্লাহর তরফ থেকে নির্দেশ আসলো এ কথা শুনে আমার কান্না পেল কেননা এই একই দোয়া আমিও আমার উম্মতের জন্য আল্লাহর কাছে বহুবার করেছি কান্নাকাটি করেছি হে আল্লাহ আমার উম্মতকে অভ্যন্তরীণ ফিতনা ঝগড়া ফাসাদ এসব থেকে রক্ষা করো কিন্তু আল্লাহ তাআলা আমার প্রথম তিনটি দোয়া কবুল করলেও শেষ দুটি কবুল [মিউজিক] করেননি। হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আমাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে খবর দিয়ে দিয়েছেন যে হে রাসূল আপনার উম্মতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ফিতনা হচ্ছে যে তারা পরস্পর ছোটখাট ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়ে একজন আরেকজনকে ফতোয়াবাজি করবে। ফিতনাবাজি করবে, ঝগড়াঝাটি করবে। এসবে লিপ্ত হবে এবং এসব করে এরা ধ্বংস হবে। বাহিরের শত্রু যখন এদেরকে আক্রমণ করবে তখন এরা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ কলহে ব্যস্ত থাকবে। এসব কিছু যা ঘটবে সবই তাকদীরে লিখা হয়ে গিয়েছে। কাজেই এই ক্ষেত্রে আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করবেন না। আল্লাহু আকবার। আমাদের প্রিয় নবী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু মানবজাতির জন্যই নন তিনি ছিলেন সমগ্র জগৎ। মানুষ জীন [মিউজিক] ও সমস্ত প্রাণীর জন্য রহমত। আল্লাহ তাআলা তাকে পাঠিয়েছেন দুনিয়ার অন্ধকারে আলো ছড়ানোর [মিউজিক] জন্য। তার শিক্ষা ও আদর্শ আজও আমাদের পথ দেখায় শান্তি ও সত্যের দিকে। তো এটাই ছিল আমাদের আজকের ভিডিও। যদি ভিডিওটি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই লাইক দিন আর আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকুন আর কমেন্টে জানিয়ে দিন ভিডিওর কোন অংশটি আপনার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে ধন্যবাদ ভাই

Need a transcript for another video?

Get free YouTube transcripts with timestamps, translation, and download options.

Transcript content is sourced from YouTube's auto-generated captions or AI transcription. All video content belongs to the original creators. Terms of Service · DMCA Contact

মা ফাতিমা ও এক ভিখারির ঘটনা | হযরত ফাতিমা রাঃ এর জীবনী | ...