কবরের রেখে আসার পর কী হয় What Happens After Being Placed in the Grave

MISTAR SAIFULLAH1,592 words

Full Transcript

যখন মাইয়াতকে কবরে শোয়ানো হয় তখন সে তাকে দাফন করে যাওয়া ব্যক্তিদের হাঁটার খসখস আওয়াজ শুনতে পায়। এরপরে তাকে যখন শুইয়ে দেওয়া হয় সে যদি মুমিন ব্যক্তি হয় তাহলে তার মাথার দিকে তার সালাতে এসে দাঁড়িয়ে যায়। দুনিয়াতে আপনি যে নামাজ গুলো পড়েছেন আমি যে নামাজ গুলো পড়ছি এগুলো মাথার দিকে দাঁড়িয়ে যায়। ডান দিকে চলে আসে তার সওম। সওম মানে কি? রোজা বাম দিকে চলে আসে যাকাত তারপরে পায়ের দিকে চলে আসবে তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার ইবাদত তারযে অন্যান্য দান সদকা তার নফল আমল তার কোরআন তেলাওয়াত ইত্যাদি পায়ের দিকে চলে আসবে এখানে একটা হাদিস এসেছে সূরাতুল মুলক যে ব্যক্তি রাতের বেলা তেলাওয়াত করবে কোন সূরা ভাই সরা রাতের বেলা করে তেলাওয়াত করবে ইনশল্লাহ সূরা কবরে তার সাথে থাকবে এবং কবরের আজাব থেকে সূরা মুলকটাকে বাঁচাবে ইনশাআল্লাহ। আমি বুঝাচ্ছি যে কি অবস্থাটা হবে। এবার দুজন ফেরেশতা মাথার দিক থেকে আসবেন। আসতে চাইবেন, সালাত বলবে এখান দিয়ে আসা যাবে না। এদিক দিয়ে আসা যাবে না। ডান দিক দিয়ে আসতে চাইবেন এদিক দিয়ে আসা যাবে না। বাম দিক দিয়ে আসতে চাইবেন, যাকাত বলবে এদিক দিয়ে আসা যাবে না। পায়ের দিক দিয়ে আসতে চাইবেন, আমলগুলো বলবে এদিক দিয়ে আসা যাবে না। তারপরেও তারা আসবেন। চোখগুলো হবে নীল এবং কালো। নিলাপ চোখের কালো মনকার নাকি উঠে বসিয়ে দেয়া হবে এবার তিনটা প্রশ্ন প্রথমে প্রশ্ন হচ্ছে কি রব তোমার রব কে তখন মুমিন বান্দা মুখ ফুলিয়ে বলবে রব্বি আল্লাহ আমার রব কে পৃথিবীতে যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরিক করে নাই আল্লাহর তাওহীদের উপর থেকেছে এবং তার উপরে মৃত্যুবরণ করেছে ইনশাল্লাহ সে ব্যক্তি এর উত্তর নির্দ্বিধায় দিতে পারবেন আর দুনিয়াতে যে বা যারাই আল্লাহর সাথে শিরিক করবে আল্লাহর সাথে শিরকের পাপে লিপ্ত হবে ওই অবস্থায় মারা যাবে তাওহীদের উপর থাকবে না কোশ্চনকালেও মান রব্বুক উত্তর দিতে পারবে না তারপরে প্রশ্ন হয়ে যাবেন তোমার দ্বীন কি ছিল মুমিন বান্দা উত্তর দিবে কি দন ইসলাম আমার দন ছিল ইসলাম এখানে শুনে রাখেন পৃথিবীতে যারা ইসলামকে পরিপূর্ণরূপে পালন করবে তারাই এই উত্তর দিতে পারবে ইনশাল্লাহ যারা ইসলামকে ঠাট্টা বিদ্রূপের হাসি তামাশার পাত্র বানিয়েছে মন চাইলে কিছু করি মন চাইলে কিছু করি না সহজগুলো একটু আমল করি বাকি কিছু আমল ধারধারি নামাজ পড়ি সুদ ছাড়তে পারি না ঠিক আছে বছর বছর ওমরা করি এদিকে ঘুষ দুর্নীতি ছাড়তে পারি না ইসলামকে ঠাট্টা তামাশার পাত্র বানিয়ে আছে এরা কোশ্চেন উত্তর দিতে পারবে না পরিপূর্ণ ইসলামে প্রবেশ করতে বলেছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামন যারা পরিপূর্ণরূপে ইসলামে প্রবেশ করবে এবং ইসলামের প্রতিটা মৌলিক বিধান মেনে চলবে ইনশল্লাহ তারা এর উত্তর দিতে পারবে এরপরে আসবে তৃতীয় প্রশ্ন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখানো হবে যখন দেখানো হবে তখন সূর্য যখন ডুবে যায় যে দৃশ্যটা আমরা দেখতে পারি না ওই দৃশ্যটা ভেসে উঠবে এবং মুমিন বান্দা অস্থির হয়ে যাবে বলবে আমাকে ছেড়ে আমি নামাজ পড়ব সুবহানাল্লাহ কারণ তার কাছে মনে হবে যে আসরের ওয়াক্ত হয়ে গেছে ওয়াক্ত হয়ে গেছে আসরের ওয়াক্ত চলে যাচ্ছে আমাকে নামাজ পড়তে হবে চিন্তা করেছেন একটা হাদিস আছে না যে সাত শ্রেণীর মানুষকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরশের ছায়া ছায়া দিবেন তার মধ্যে এক শ্রেণীর মানুষকে যার অন্তর মসজিদের সাথে ঝুলে থাকে তার মন মসজিদের সাথে ঝুলেছিল এই সূর্য ডুবে গেল বলে আমাকে ছেড়ে দাও আমি নামাজ পড়তে যাব তখন ফেরেশতারা বলবেন তোমাকে নামাজ পড়তে দেয়া হবে তবে তার আগে তুমি এর উত্তর দাও কি উত্তর এই ব্যক্তির দিকে তাকাও তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে দেখানো হবে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়বেন বলা হবে যে এই ব্যক্তির সম্পর্কে তোমার কি ধারণা ব্যক্তি যাকে তোমাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল ব্যক্তি নির্ধয় বলে দিবে যে তিনি হচ্ছেন আমার নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃথিবীতে যেই বা যারাই পৃথিবীতে যে বা যারাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতের উপর আমল করবে ইনশআল্লাহ সে তার উত্তর দিতে পারবে। দুনিয়াতে যারা নবীর সুন্নতের পাঁচ পয়সা পরোয়া করছে না তার আদর্শের পাঁচ পয়সা দান দিচ্ছে না তারা কোশ্চেন কালে উত্তর দিতে পারবে না। হতে পারে আব্দুর রহমান আব্দুর রহিম নবীর সুন্নতের ধারধারে না তারা উত্তর দিতে পারবে না। নবীর সুন্নতের গুরুত্ব কত গভীর এটা আমাদেরকে এখান থেকে বুঝতে হবে। তাই প্রিয় যুবক ভাইয়েরা মুসলিম ভাইয়েরা আমাদের জীবনটাকে নবীর আদর্শ এবং সুন্নতে ঢেলে সাজাতে হবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিটা কাজ করব কার তরিকায় রাসূের তরিকা নামাজ পড়ব তার তরিকায় রোজা সিয়াম হজ জাকাত আমল মলা আখলাক সব কার তরিকায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তরিকা অনুযায় তৌফিক এনায়েত করুন আমিন এবার ফেরেশতা দুজন জিজ্ঞাসা করলেন অবাক হয়ে তুমি কিভাবে এটা জানলে তুমি কিভাবে এই তিনটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে কারণ বেশিরভাগ মানুষ তো উত্তর দিতে পারবে না। বেশিরভাগ মানুষই এ উত্তর দিতে পারবে না। কারণ কেয়ামতের মাঠে হাজার 999 জন মানুষ জাহান্নামে যাবে। নাউজুবিল্লাহ। তো এটা কঠিন পরীক্ষা। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে নিশ্চয়ই তোমাদেরকে এখানে পরীক্ষায় ফেলা হবে। আর তোমরা যদি এই পরীক্ষা জেনে তোমাদের মৃতদেরকে দাফন করা থেকে বিরত না থাকতে তাহলে আমি তোমাদেরকে শুনিয়ে দিতাম কবরে কেমন পরীক্ষা হয়। মানে যদি আমরা শুনতে পারতাম যে কবরে কেমন পরীক্ষা হয় আমরা ভয়ে আমাদের মৃতদেরকে দাফন পর্যন্ত করতাম না এটা নবীজি বলছেন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে তুমি কিভাবে জানলে এটা বেশিরভাগ মানুষ তো পারে না উত্তর দিতে তখন সেই ব্যক্তি বলে বসবে সে ব্যক্তি বলবে যে কিতালা আমি আল্লাহর কিতাব এই কোরআন পড়েছি মমিন বলবে আমি আল্লাহর কোরআন পড়েছি আমি এর উপর ঈমান এনেছিলাম এবং সত্যায়ন করেছিলেন অতএব দুনিয়াতে যারা দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করছে না কোরআন পড়ছে না হাদিস পড়ছে না পড়াশোনার চেষ্টা করছে না জানার চেষ্টা করছে না কবরে পাওয়ার পাওয়া ডিফিকাল্ট আছে এটা একটা অন্যতম প্রশ্ন আমরা কিন্তু মনে করি তিনটা প্রশ্ন হচ্ছে আসলে প্রশ্ন হচ্ছে কয়টা তিনটার পরে আর একটা কিভাবে জানলে উত্তর দিচ্ছে আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি ঈমান এনেছি সত্যায়ন করেছি নবী সাল্লাল্লাহু হাদিসের পরের অংশ বলছেন যে যখন কাফের বান্দাকে উঠানো হবে তখন ডানেও কিছু নাই বামেও কিছু নাই সামনে পিছনে কিছু নাই মাথার দিক থেকে ফেরেশতারা চলে আসবেন উঠিয়ে বসানো হবে প্রশ্ন করা হবে কে তোমার রব একটাই উত্তর লাদ্রি আমি জানিনা কি তোমার দন লা আমি জানিনা এইযে আল্লাহর তো খবর নাই আল্লাহ পাকের বিধান মেনে চলার কোন খবরই নাই পরোয়াই নাই সে জানবে কিভাবে ইসলাম কি জিনিস সে জানবে কিভাবে আল্লাহ কি জিনিস ওতো আল্লাহকে চিনেই না দিব্য বলে বেড়াচ্ছে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে বিগ ব্যাং থেকে আল্লাহ বলে কেউ নাই মানুষ সৃষ্টি হয়েছে বান্দর থেকে নাউজুবিল্লাহ ডারউইনের মতবাদ কি থিওরি অফ এভলিউশন নাকি তাইতো মনে হয় অনেকদিন আগে পড়ছি ভাই ভুলে গেছি যাই হোক মানুষ তো আল্লাহকে চিনছে না এখনো মানুষ মনে করছে যে আল্লাহ বলতে কেউ নাই এবং এই মুক্ত চিন্তার নামে বাক স্বাধীনতার নামে নাস্তিকতার যে চর্চাটা বেড়েছে বাংলায় এটা আশঙ্কাজনক বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ে আসছে অনেক সময় দেখলাম বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর সে বলছে যে মহাবিশ্ব বিজ্ঞান দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে সৃষ্টিকর্তা নাই এখানে তো মুসলিম বিজ্ঞানীরা একটা কথা বলতেন যে মানুষ বিজ্ঞান সম্পর্কে অল্প জানলে নাস্তিক হয়ে যায় আর অনেক গভীর জ্ঞান অর্জন করলে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে খেয়াল করে দেখবেন ডক্টর ইঞ্জিনিয়ার যারা বড় বড় লেভেলে চলে গেছেন অনেক সিনিয়র তারা কিন্তু বেশিরভাগ নামাজি দেখবেন নামাজ পড়ে দান সদকা করে সমাজ কল্যাণমূলক কাজ করে তারা কিন্তু রোগীর সেবা করতে গেলেও বলে যে নামাজ পড়িয়ে রোজা রাখিয়েন তারা কিন্তু বলে অনেক ডক্টর আমি দেখেছি এমন যারা যত বেশি গবেষণা তারা তত বেশি আস্তিক হয়ে যায়। ফোটাফাটা গবেষণা করলে নাস্তিক হয়ে যাবেন। কত প্রশ্ন ইসলামের এটা কেন? ওটা কেন? ইসলামে বহুবিবাহ কেন? ইসলামে কি পর্দার বিধান কেন? তারপর ইসলামে এত রেস্ট্রিকশন এত বাইন্ডিং কেন? স্বাধীনতা নাই কেন? কত প্রশ্ন ইসলামের এগেন্সে কত তীর এখন ছোলা হচ্ছে? এই ব্যক্তি কেমন করে উত্তর দিবে যেহেন তোমার দন কি? আল্লাহ আল্লাহর দিকে কত প্রশ্ন ছোলা হচ্ছে? কত শিরকের পাপ আমরা করছি? অনেক সময় মুসলিম হয়েও শিরকের পাপ করছে। কিভাবে উত্তর দিবে মানব? তিন নাম্বার প্রশ্ন যখন করা হবে এই ব্যক্তিকে দেখো দেখি সে বলবে যে আমি জানি নাই ব্যক্তিকে। তবে শুনেছিলাম মানুষের মুখে শুনেছিলাম মানুষ যা বলতো আমি তাই বলতাম। মানে সে রাসূ সাল্লাল্লাহু নাম শুনেছিল হয়তোবা। কিন্তু তার সুন্নত বা আদর্শ কখনো মেনে চলে নাই। এবার জান্নাতি ব্যক্তি হলে কি হতো? ওই যে সূর্য ছিল যেখানে তার দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত কবরকে প্রশস্ত করে দেয়া হল এবং জান্নাতের একটা দরজা তার কবরে খুলে দেয়া হল এটা কিভাবে করা হবে সেটা আল্লাহ পাক জানেন এটার ব্যাখ্যা করার জ্ঞান আল্লাহ আমাদেরকে দেন নাই যেই মানুষের ক্ষুদ্র জ্ঞানে মানুষ ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করতে হিমসিম খেয়ে যায় সে মহাবিশ্ব স্রষ্টা নিয়ে কিভাবে গবেষণা >> আল্লাহ পাকের অসীম জ্ঞানের সামনে আমার জ্ঞান কি খুবই ক্ষুদ্র হাদিসে এসেছে বুখারী শরীফের মধ্যে যে একটা মহাসমুদ্রের মধ্যে যদি একটা পাখি এক ফোটা পানি উঠিয়ে নিয়ে যায় ওই এক ফোটা পানি হচ্ছে মহাবিশ্বের জ্ঞান আর বাকি পুরো মহাসাগর হচ্ছে আল্লাহ পাকের জ্ঞানতো আমরা এই ক্ষুদ্র জ্ঞানের মানুষ হয়ে আল্লাহর জ্ঞানকে কেমন করে পেনিট্রেট করতে পারিতো আল্লাহ পাক জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দিবেন একটা দরজা খুলে দিবেন সেখান থেকে বাতাস আসবে জান্নাতের নাস নেয়ামত উপভোগ করতে থাকবে এবং তার রুহটাকে সবুজ রঙের পাখির আকৃতিতে জান্নাতে রেখে দেয়া হবেন মানে ওখানে জান্নাতের নেয়ামত পাবে এটাকে বলা হয় দারুল বারজা বারজাখের জীবন পাপী ব্যক্তি হলে জাহান্নামের দরজা খুলে দেয়া হবে আর জাহান্নামের সে আজব ভোগ করতে থাকবে এবং পুণ্যবান ব্যক্তি হলে জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হবে এবং নেয়ামত সে ভোগ করতে থাকবে তখন তাকে বলা হবে এটা জান্নাতের সেই জায়গা যেখানে তুমি থাকবে এটা দেখার সাথে সাথে শোনার সাথে সাথে তার যে খুশি উৎফুলতা আরো অনেক বেড়ে যাবে এবং সে কি করবে জানেন সে পৃথিবীতে ফিরে আসতে চাইবে সে বলবে আমাকে আমার পরিবার বর্গকে জানাতে দেন। আমাকে আমার পরিবার বর্গকে জানাতে দেন যে আমি ভালো আছি। তখন ফেরেশতারা তাকে বলবেন যে এটা সম্ভব না। তোমার এবং তাদের মাঝে দারুল বারজাখ আছে। তুমি এটা ভেদ করে যেতে পারবে না। তখন তার আত্মাটাকে ইললি দেওয়া হবে। একটা সবুজ পাখির আকৃতিতে জান্নাতে ঘুরে বেড়াবে ইনশ্লাহ। আর যদি জাহান্নামী হয় তাহলে যে বললাম দরজা খুলে যাবে জাহান্নামের। মর্মান্তিক আজাব তার দিকে আসতে থাকবে। কবর সংকুচিত হয়ে আসবে এমনভাবে যাতে তার বাম পাজর ডান পাজরের ভিতরে এভাবে ঢুকে যাবে। নাউজুবিল্লাহ। এই আজাব চলতে থাকবে ইলা পুনত্থানের দিন পর্যন্ত

Need a transcript for another video?

Get free YouTube transcripts with timestamps, translation, and download options.

Transcript content is sourced from YouTube's auto-generated captions or AI transcription. All video content belongs to the original creators. Terms of Service · DMCA Contact

কবরের রেখে আসার পর কী হয় What Happens After Being Placed ...